• তোলাবাজি-সিন্ডিকেট বন্ধে চলতি অধিবেশনেই বিল পেশ, মামলা হবে জামিন অযোগ্য ধারায়
    প্রতিদিন | ২৩ জুন ২০২৬
  • বলপূর্বক তোলা আদায় এবং সিন্ডিকেট রুখতে জিরো টলারেন্স শুভেন্দু অধিকারী সরকারের। এক্ষেত্রে  এবার কড়া আইন আনতে চলেছে রাজ্য সরকার। চলতি অধিবেশনেই এই সংক্রান্ত বিল আনা হবে বলে বিধানসভা সূত্রে জানা গিয়েছে। যেখানে তোলাবাজি কিংবা সিন্ডিকেট সংক্রান্ত যে কোনও অভিযোগ আসলেই পুলিশকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। শুধু তাই নয়, ভারতীয় ন্যায় সংহিতায় সংশ্লিষ্ট অভিযুক্তের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু করতে হবে বলে বিলটিতে উল্লেখ থাকছে বলে সূত্রের খবর।

    আজ, সোমবার বিজেপি সরকারের প্রথম বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। সেখানেই সিন্ডিকেট রুখতে কড়া আইন আনা হবে বলে প্রস্তাব দেন তিনি। স্পষ্ট জানিয়ে দেন, সিন্ডিকেট এবং তোলাবাজি রুখতে কড়া রাজ্য সরকার। শুধু তাই নয়, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও এদিন পূর্বতন সরকারের তোলাবাজি ইস্যুতে সরব হন। স্থানীয়স্তরে কীভাবে তোলাবাজি হয় তাও তুলে ধরেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বিনিয়োগকারীরা রাজ্যস্তরে চুক্তি করেন, জমির ব্যবস্থা দেওয়া হয়। ব্যাঙ্ক থেকে লোন নেওয়ার পর দেখা যায় জমি-সহ বিভিন্ন অজুহাতে তোলা চাওয়া হয়। এক্ষেত্রে সমস্যায় পড়েন বিনিয়োগকারীরা। আর তা ঠেকাতে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার দাওয়াই দেন শুভেন্দু অধিকারী। 

    এরপরেই এই বিল আনতে শুরু হয়েছে তোড়জোড়। সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি অধিবেশনেই তোলাবাজি এবং সিন্ডিকেট আইন আনতে চলেছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। বলে রাখা প্রয়োজন, রাজ্যে পালাবদলের পরেই দুর্নীতি ইস্যুতে কড়া বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ‘ভয় আউট-ভরসা ইনে’র বার্তা দিয়ে তিনি জানান, বাংলায় শাসকের আইন নয়, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। শুধু তাই নয়, তোলাবাজি, দুর্নীতি যে কোনওভাবে সহ্য হবে না, তাও স্পষ্ট জানিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপরেই গত কয়েকমাসে তোলাবাজি-দুর্নীতির অভিযোগে একাধিক তৃণমূল নেতা, কাউন্সিলরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এমনকী সেই তালিকায় বেশ কয়েকজন রাজ্যের প্রাক্তন বিধায়কও রয়েছেন। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে আইনের ফাঁকে দ্রুত জামিন পেয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু নয়া আইনে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে একেবারে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা হবে।
  • Link to this news (প্রতিদিন)