সেন্সাসের জের, কয়েকটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন এগতে পারে
বর্তমান | ২৩ জুন ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসে বেশ কয়েকটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হওয়ার কথা। সেগুলি কি এগিয়ে নিয়ে আসা হবে? এই জল্পনার কারণ হিসাবে শোনা যাচ্ছে, ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে হবে সেন্সাসের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ কাজ। একইসঙ্গে জনগণনা এবং কাস্ট সেন্সাস। সাধারণত সেন্সাসের কাজ করেন রাজ্য সরকারি কর্মী, শিক্ষকরাই। আবার নির্বাচনের কাজেও যুক্ত থাকেন তাঁরাই। সুতরাং গোটা ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাস জুড়ে যেখানে চলবে সেন্সাসের দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া, তাহলে কীভাবে সেই একইসময়ে ভোটের আয়োজন করা যাবে?
২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে শুরু হয়েছে সেন্সাসের প্রথম পদক্ষেপ। গৃহতালিকা নির্মাণ অর্থাৎ হাউসলিস্টিং। এরপর প্রকৃত সেন্সাস হবে। ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে মার্চ। ওই কাজ অনেক সময়সাপেক্ষ। একই সময়ে হওয়ার কথা, গোয়া, উত্তরাখন্ড, উত্তরপ্রদেশ, মণিপুর, পাঞ্জাবের ভোট। হিমাচল প্রদেশ এবং গুজরাতের ভোট হবে ২০২৭ সালের শেষে। বাকি রাজ্যগুলির বর্তমান বিধানসভার মেয়াদ সমাপ্ত হবে মার্চ-এপ্রিলের মধ্যেই। অতএব ফেব্তুয়ারি-মার্চের মধেযই ভোট হওয়ার কথা। ঠিক এই কারণেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা সৃষ্টি হয়েছে যে, আগামী বছরের শুরুতেই যে রাজ্যগুলির ভোট, সেগুলি এগিয়ে নিয়ে আসা হবে। সেক্ষেত্রে ২০২৬ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৭ সালের জানুয়ারির মধ্যে ওই ভোটগুলি আয়োজনের চেষ্টা নির্বাচন কমিশন সম্ভবত করতে চলেছে।
কারণ সরকারি কর্মীদের কাজে লাগাতে হলে দুই প্রক্রিয়া পৃথক সময়সীমায় করতে হবে। প্রসঙ্গত, আগামী বছরের এই রাজ্যগুলির বিধানসভা ভোটের উপর ভবিষ্যৎ ভারতের রাজনৈতিক গতিপ্রকৃতি অনেকটাই নির্ভর করবে। উত্তরপ্রদেশে যদি আবার বিজেপি জয়ী হয়, তাহলে তিনবার একটানা জয় পেয়ে যোগী আদিত্যনাথ প্রবল শক্তিশালী হবেন। একইভাবে পাঞ্জাবে কোনওদিন বিজেপি ক্ষমতাসীন হয়নি। ঠিক পশ্চিমবঙ্গ স্টাইলে সেখানেও বিজেপি ক্ষমতায় আসতে মরিয়া।