মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কুর্সি গিয়েছে তৃণমূলেই। চেয়ারপার্সন পদ থেকে মমতাকে সরিয়ে সেখানে হাওড়ার নেতা অরূপ রায়কে বসিয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন ‘আসল তৃণমূল’। আর এর পরেই সামনে এল কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের নতুন জাতীয় কর্মসমিতির তালিকা। সোমবারই যে তালিকা নির্বাচন কমিশনকে পাঠানো হয়েছে বলে খবর। সেই কর্মসমিতির মাথায় চেয়ারপার্সন হিসেবে নাম রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সহ-সভাপতি সুব্রত বক্সী, সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, যিনি লোকসভার দলনেতাও। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সই করা সেই তালিকায় রয়েছে মোট ২৪ জনের নাম।
সোমবার যখন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে ন্যাশনাল ওয়ার্কিং কমিটি তৈরির তোড়জোড় চলছে, সে দিনই নতুন ন্যাশনাল ওয়ার্কিং কমিটি তৈরি করে তার তালিকা নির্বাচন কমিশনে পাঠিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তাঁর সই রয়েছে।
৫ জুন ন্যাশনাল ওয়ার্কিং কমিটিতে অরূপ বিশ্বাসকে রাখা হলেও, ২২ জুন অর্থাৎ গতকালের ওয়ার্কিং কমিটি থেকে বাদ পড়েছে অরূপের নাম। বাদ দেওয়া হয়েছে অনেককেই।
কিন্তু এখন প্রশ্ন, তৃণমূলের নতুন ন্যাশনাল কমিটি কোনটা? সোমবার নিউ টাউনের হোটেল থেকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় যা ঘোষণা করলেন নাকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা সই করে নির্বাচন কমিশনকে পাঠিয়েছেন? অনেকেই মনে করছেন, এই ইস্যু নিয়ে এ বার লড়াই শুরু হবে নির্বাচন কমিশনে। জল গড়াতে পারে আদালত পর্যন্ত।