শিয়ালদহ থেকে পদাতিক এক্সপ্রেসে মঙ্গলবার দুপুর সওয়া ১২টা নাগাদ নিউ কোচবিহার পৌঁছন জগদীশ। সেই তাঁর ছেলে এবং নাতি ছিল। নাতিকে কোলে নিয়ে স্টেশন থেকে বেরিয়ে গাড়িতে সিতাইয়ের উদ্দেশে রওনা দেন জগদীশ। তাঁর জন্য বিশেষ পুলিশি ব্যবস্থার আয়োজন করা হয়েছে জেলা পুলিশের তরফে।
কোচবিহার ছেড়েছিলেন ভোটের ফলপ্রকাশের দিন, গত ৪ মে। তার ৫০ দিন পরে, মঙ্গলবার জেলায় পা দিলেন সাংসদ জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া। এর মধ্যে তিনি দিল্লিতে গিয়ে তৃণমূল ছেড়ে অখ্যাত রাজনৈতিক দল ‘এনসিপিআই’-তে যোগও দিয়েছেন। এ নিয়ে তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ হতে পারে, এই আশঙ্কায় কড়া নিরাপত্তারও ব্যবস্থা করা হলো জেলায়।
ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই জায়গায় জায়গায় বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন তৃণমূল নেতারা। তাঁদের লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয়েছে। চোর স্লোগান তুলেও বিক্ষোভ দেখানো হয়েছে। কোচবিহারে সে রকমই বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন সদ্য ধৃত উদয়ন গুহ। আশঙ্কা ছিল, জগদীশেরও সে রকম বিক্ষোভের মুখে পড়ার আশঙ্কা ছিল। যদিও জেলার রাজনীতিকদের একাংশের মত, সেই ভাবে দেখলে, জগদীশ এখন আর তৃণমূলের কেউ নন। কিন্তু তিনি যে ভাবে তৃণমূল ছেড়েছেন, নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির জগদীশ-সহ ২০ জন সাংসদের বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ তুলেছে, সেই অভিযোগেও তাঁর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হতে পারে। এত দিন পরে কোচবিহার ফেরা নিয়ে তাঁকে প্রশ্নও করা হয়েছিল স্টেশন চত্বরে। কিন্তু তিনি কোনও মন্তব্য করতে চাননি।