কেন্দ্রের বড় সিদ্ধান্তে বাড়ল হলদিয়া বন্দরের গুরুত্ব, তৈরি হচ্ছে ইমিগ্রেশন চেক পোস্ট
আজ তক | ২৩ জুন ২০২৬
রাজ্যকে বড় উপহার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকারের। এবার হলদিয়া বন্দরে অভিবাসন পরীক্ষাকেন্দ্র বা ইমিগ্রেশন চেক পোস্ট তৈরি করছে সরকার। এতদিন পর্যন্ত দেশের ৪০টি বন্দর ইমিগ্রেশন চেক পোস্ট হিসেবে পরিচিত ছিল। হলদিয়া হল ৪১ তম।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এই নিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। তাদের তরফে জানানো হয়েছে, অভিবাসন ও বিদেশি আইন, ২০২৫-এর অধীনে হলদিয়াকে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। গতকাল সোমবার ২২ জুন এই বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশিত হয়।
কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের ফলে পশ্চিমবঙ্গের বাণিজ্য ও পর্যটনে গতি আসবে বলে মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক বাণিজ্য, ক্রুজ পর্যটন এবং পূর্ব ভারতে বিদেশি পর্যটকদের চলাচলে নতুন গতি আসবে।
কী এই ইমিগ্রেশন চেক পোস্ট? হলদিয়া বন্দরে প্রচুর জাহাজ ঢোকে এবং বেরোয়। মাল আনা ও নিয়ে যাওয়ার জন্য অনেক বিদেশি নাগরিক সেই সব জাহাজে থাকেন। তাঁদের বন্দরে ঢোকার অনুমতি ছিল না এতদিন। মাল নামিয়েই চলে যেতে হত। তবে এবার থেকে তাঁরা পরিচয়পত্র দেখিয়ে ভিতরে ঢুকতে পারবেন।
প্রসঙ্গত, কলকাতা বন্দরের উপর চাপ কমানোর জন্য ১৯৬৮ সালে বিকশিত হলদিয়া ডক কমপ্লেক্সে ১৯৭৭ সাল থেকে আন্তর্জাতিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
ভারতে যে সব বন্দরগুলিতে ইমিগ্রেশন চেক পোস্ট আছে সেগুলির মধ্যে মুম্বই বন্দর (মহারাষ্ট্র), কোচিন বন্দর (কেরল), নিউ মাঙ্গালোর বন্দর (কর্নাটক), মোরমুগাও বন্দর (গোয়া), চেন্নাই বন্দর (তামিলনাড়ু), কাট্টুপল্লি বন্দর (তামিলনাড়ু), বিশাখাপত্তনম বন্দর (আন্ধ্রপ্রদেশ), পোর্ট ব্লেয়ার বন্দর (আন্দামান ও নিকোবর), ভিঝিঞ্জাম আন্তর্জাতিক বন্দর (কেরল), হাজিরা বন্দর (গুজরাট), পিপাভাভ বন্দর (গুজরাট) এবং সর্বশেষ হলদিয়া ডক কমপ্লেক্স (পশ্চিমবঙ্গ) ইমিগ্রেশন চেক পোস্ট হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।