• বিধানসভায় নারদ কাণ্ড তুললেন, BJP-ঋতব্রতদের 'আঁতাঁত' খোঁচাও, কুণালের প্রথম ভাষণে হইচই
    আজ তক | ২৩ জুন ২০২৬
  • রাজ্য বিধানসভায় রাজ্যপালের বাজেট ভাষণ সম্পর্কে আলোচনা অধিবেশন কুণাল ঘোষ বক্তব্য রাখতে উঠতেই চোর চোর স্লোগান। ঘটনা ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বাজেট অধিবেশন। স্পিকার প্রথমেই তাঁকে সতর্ক করে বলেন, 'কুণালবাবু ইস্যুর বাইরে কথা বলবেন না।' পাল্টা তৃণমূল (মমতা) বিধায়ক বলেন, 'আমাকে তো তাহলে নারদা ভিডিওর তালিকা বের করতে হবে।' এরপরই শোরগোল পড়ে যায় অধিবেশনে। 

    'বন্ধুরা ভাল বলবেন, শত্রুরা নিন্দা করবেন, কিন্তু ইউ কান্ট ইগনোর। নামটা মনে রাখবেন, কুণাল কুমার ঘোষ।' এই ভাবেই নিজের বক্তৃতা শুরু করেন তিনি। একাধিকবার তাঁকে বাধা দেওয়া হয়। জবাবে তৃণমূল (মমতা) বিধায়ক বলেন, 'অনৈতিক ভাবে বিরোধী দলনেতা হয়ে বসেছেন যিনি তাঁকে বলতে দেওয়া হবে, কিন্তু আমরা যাঁরা আসল বিরোধী তাঁদের বলতে দেওয়া হচ্ছে না। স্পিকার মহোদয় একজন ধর্ষণে অভিযুক্তকে বিরোধী দলনেতা করেছেন।'

    ত্রিপুরা থেকে কেন বাংলাদেশি ধরা পড়ছে? অমিত শাহের BSF কেন কিছু করছে না, এ কথা বলতেই তীব্র বাধা আসে। কুণাল কার্যত মেজাজ হারিয়ে বলেন, 'একদম গা জোয়ারি দেখাবেন না। চুপ করে বসে থাকুন।' 

    এরপর কেন্দ্রীয় সরকারের কত টাকা বকেয়া, কেন বিগত সরকারের সাফল্যগুলি তুলে ধরা হল না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন কুণাল ঘোষ। তাঁকে রাজনৈতিক মন্তব্য করতে নিষেধ করেন স্পিকার। জবাবে কুণাল বলেন, 'তাহলে আমি বলতে ওঠায়, কোন তৃণমূল বলে কটাক্ষ করা হল, সেটা রাজনৈতিক মন্তব্য ছিল না?'

    কুণাল ঘোষ আরও বলেন, 'হাতের আঙুল থেকে এখনও কালি যায়নি। আমরা হেরে যেতে পারি কিন্তু আমি বেইমান নই। রাজ্যপালের ভাষণে যে ভাল কথাগুলি রয়েছে, আমরা চাইব সরকার সেগুলো কার্যকর করুক। কিন্তু এটা তো বলতেই পারি, হকার উচ্ছেদ হচ্ছে যেখানে, বিনা নোটিশে বুলডোজার যেন না পাঠানো হয়।'

    রাজ্যপালের ভাষণে সর্বজনীন বিকাশের কথা বলা হয়েছে, কিন্তু সব ধর্ম-ভাষার মানুষকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, তেমন ইঙ্গিত মেলেনি। মন্তব্য করেন কুণাল ঘোষ। নমাজ পাঠের জন্য একদিন ২ ঘণ্টা লাগত আর যোগ দিবসের জন্য ৭ দিন রেড রোড বন্ধ থাকবে কেন? এ প্রশ্নও করেন কুণাল ঘোষ। 

     
  • Link to this news (আজ তক)