• দিঘা-মন্দারমণিকে টেক্কা দেবে অচেনা 'এইসব' সৈকত, ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা প্রশাসনের
    News18 বাংলা | ২৩ জুন ২০২৬
  • নদী আর সমুদ্রের জলরাশির এক অপূর্ব মেলবন্ধন পূর্ব মেদিনীপুর জেলা। রূপনারায়ণ, হলদি আর রসুলপুরের মিষ্টি জল যেখানে বঙ্গোপসাগরের নোনা হাওয়ার সঙ্গে মিতালী করে। উপকূল ঘেরা এই জেলায় লুকিয়ে আছে এই জেলার আসল সৌন্দর্য। আর তা হল বিস্তীর্ণ উপকূল ও বালিয়াড়ি যুক্ত সৈকত। কিন্তু যখনই পূর্ব মেদিনীপুরের পর্যটনের কথা ওঠে, চোখে ভেসে ওঠে শুধু দিঘা কিংবা মন্দারমণির চেনা ছবি। রূপোলি বালিয়াড়ি আর সমুদ্রের ঢেউয়ের সেই চেনা সমীকরণকে এবার আরও একটু এগিয়ে নিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর জেলা প্রশাসন।

    লক্ষ্য একটাই, পর্যটনের মানচিত্রে পূর্ব মেদিনীপুরকে এক নতুন ও অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দেওয়া। দিঘা বা মন্দারমণির আকাশছোঁয়া জনপ্রিয়তা নিয়ে কোনও সংশয় নেই। কিন্তু এই দুই চেনা গন্তব্যের বাইরেও পূর্ব মেদিনীপুরের দীর্ঘ সমুদ্র উপকূলবর্তী অঞ্চলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে এমন অনেক মায়াবী সৈকত, যা আজও পর্যটকদের নজরের আড়ালে ব্রাত্যই রয়ে গিয়েছে। শান্ত, স্নিগ্ধ আর ভিড়ভাট্টাহীন সেইসব সৈকত যেন এক-একটি না-বলা রূপকথা। এবার সেই সুপ্ত সম্ভাবনাকে জাগিয়ে তুলতেই কোমর বেঁধে নেমেছে বর্তমান প্রশাসন। নতুন নতুন সমুদ্র সৈকতকে চিহ্নিত করে, সেগুলিকে আধুনিক পর্যটন পরিকাঠামোয় সাজিয়ে তোলার এক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

    প্রশাসনের এই ভাবনার মূল উদ্দেশ্য হল, পর্যটকদের এক ঘেঁয়েমি কাটিয়ে সম্পূর্ণ নতুন অভিজ্ঞতার ডালি সাজিয়ে দেওয়া। প্রকৃতির অকৃপণ দানে ধন্য পূর্ব মেদিনীপুর। প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের যৌথ উদ্যোগে খুব শীঘ্রই এই জেলা দিঘা-মন্দারমণির চেনা গণ্ডি পেরিয়ে এক নতুন রূপ ধারণ করতে চলেছে। এ বিষয়ে জেলাশাসক বলেন, আমাদের লক্ষ্য জেলা জুড়ে পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটানো।

    হলদি রূপনারায়ণদের তীরবর্তী এলাকায় নতুন পর্যটন কেন্দ্র এবং নতুন নতুন সমুদ্র সৈকতগুলি পর্যটন মানচিত্রের আওতায় এনে পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটানো।” নতুন এই পর্যটন কেন্দ্রগুলির বিকাশ ঘটলে, কেবল যে ভ্রমণপিপাসুদের পায়ের পাতা নতুন বালির ছোঁয়া পাবে তা নয়, এর হাত ধরে বদলে যাবে স্থানীয় অর্থনীতির খোলনলচেও। উপকূলবর্তী পূর্ব মেদিনীপুর জেলার প্রতিটি সৈকতই আগামী দিনে হয়ে উঠবে পর্যটকদের জন্য স্বপ্নের গন্তব্য।
  • Link to this news (News18 বাংলা)