আতঙ্কের পারাপার, এই ফেরিঘাটেই প্রাণ হারিয়েছিলেন বহু মানুষ, এবার ১২০০ কোটির ব্রিজ নির্মাণ!
News18 বাংলা | ২৪ জুন ২০২৬
১২০০ কোটি টাকার সেতু প্রকল্পে খুশির হাওয়া শান্তিপুরে, নৃসিংহপুর-কালনা সংযোগে নতুন দিগন্ত। অতীতে এই ফেরি ঘাটেই ঘটেছিল নৌকাডুবির মতো ঘটনাও! প্রাণ হারিয়েছিলেন বহু মানুষ সেই দিন! নদিয়া জেলার শান্তিপুরের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণের পথে বড় পদক্ষেপ।
রাজ্য বাজেটে ঘোষণা করা হয়েছে শান্তিপুরের নৃসিংহপুর ঘাট থেকে পূর্ব বর্ধমানের কালনা ঘাট পর্যন্ত একটি নতুন সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা। প্রায় ১২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হতে চলা এই সেতু প্রকল্পের ঘোষণার পর থেকেই খুশির হাওয়া বইতে শুরু করেছে শান্তিপুর ও কালনা এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে।
সরকার বলেনি ১০ বছর মুখে লিউকোপ্লাস্ট লাগিয়ে বসে থাকুন’, ‘বিদ্রোহী’ ঋতব্রত বলা শুরু করতেই বেরিয়ে গেলেন কুণাল, বিধানসভায় তৃণমূল ভার্সেস তৃণমূল যু্দ্ধ
রাজ্যের অর্থমন্ত্রী বাজেট পেশের সময় এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেন। গঙ্গার উপর নির্মিত হতে চলা এই সেতু বাস্তবায়িত হলে নদিয়া ও পূর্ব বর্ধমান জেলার মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সহজ ও দ্রুত হবে বলে মনে করছেন প্রশাসনিক মহল এবং সাধারণ মানুষ।
বর্তমানে নৃসিংহপুর ঘাট ও কালনা ঘাটের মধ্যে যোগাযোগের অন্যতম ভরসা হল ফেরি ও ভেসেল পরিষেবা। প্রতিদিন বহু যাত্রী, ছোট-বড় যানবাহন এবং পণ্যবাহী গাড়ি এই জলপথ ব্যবহার করে দুই জেলার মধ্যে যাতায়াত করে। ফলে এই ঘাট এলাকার গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। অতীতে এই রুটে নৌকাডুবির মতো মর্মান্তিক ঘটনাও ঘটেছে, যা নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তাকে আরও জোরাল করেছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই এই এলাকায় একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের প্রয়োজন ছিল। পূর্বতন সরকারের আমল থেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, জনপ্রতিনিধি ও সামাজিক সংগঠন এই দাবিতে সরব হয়েছিল। অবশেষে রাজ্য বাজেটে প্রকল্পের ঘোষণা হওয়ায় আশার আলো দেখছেন এলাকার মানুষ।
সেতুটি নির্মিত হলে শুধু যাতায়াতের সময়ই কমবে না, বরং ব্যবসা-বাণিজ্য, পর্যটন এবং দুই জেলার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। শান্তিপুরের বাসিন্দাদের একাংশের মতে, রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর নতুন সরকারের উদ্যোগে এই বহু প্রতীক্ষিত প্রকল্প বাস্তবায়নের পথে এগোতে চলেছে।
এখন সকলের নজর প্রশাসনিক অনুমোদন ও নির্মাণকাজ শুরুর দিকে। প্রকল্পটি বাস্তব রূপ পেলে নদিয়ার শান্তিপুর ও পূর্ব বর্ধমানের কালনার মধ্যে যোগাযোগের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে।