হরিদ্বার, কেদারনাথ, বদ্রিনাথ-সহ বিভিন্ন ধর্মীয় স্থানে বোমা হামলার হুমকি। শুধু ওই ধর্মীয় স্থানগুলিই নয় উত্তরাখণ্ডের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র, থানা এবং সরকারি অফিসেও হামলা চালানো হবে হুকমি দেওয়া হয়েছে। ই-মেল করে ওই হামলা করার হুমকি দেওয়া হয়েছে। বোমা হামলায় সেই সব স্থানগুলি উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি আসার পরেই বাড়তি সতর্কতা জারি করা হয়েছে উত্তরাখণ্ডে।
এক দিকে শুরু হচ্ছে অমরনাথ যাত্রা। অন্য দিকে উত্তরাখণ্ডে চলছে চার ধাম যাত্রাও। সেই সময়েই বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র, থানা এবং সরকারি অফিসের পাশাপাশি ধর্মীয় স্থানগুলিতেও বোমা হামলার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। মুসৌরি এবং হরিদ্বার পুরসভায় ই-মেল করে এই হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, ওই ইমেলগুলিতে নিজেদের খালিস্তানের সঙ্গে যুক্ত থাকার দাবি করেছে প্রেরক। এই ‘প্রতিশোধ’ হিসেবে এই হামলা চালানো হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে ওই হুমকি ই-মেলে। পাশাপাশি, সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের মাধ্যমেও বিভিন্ন থানাকে লক্ষ্য করে পৃথক হুমকিও দেওয়া হয়েছে।
জানা গিয়েছে, হরিদ্বার পুরসভায় পাঠানো ওই হুমকি ই-মেলে ঋষিকেশ, কেদারনাথ এবং বদ্রিনাথের নাম বিশেষ করে উল্লেখ করা হয়েছে। হরিদ্বার পুরসভার কমিশনার নন্দন কুমার জানিয়েছেন, ওই ই-মেল পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই কোনও রকম ঝুঁকি না নিয়ে বিষয়টি জানানো হয়েছে পুলিশকে। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
পুলিশ আধিকারিকরা জানিয়েছেন, কোথা থেকে ওই হুমকি ই-মেল পাঠানো হয়েছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ওই হুমকি আদৌ কতটা সত্যি তাও খতিয়ে দেখছেন তাঁরা। তবে কোনও রকম ঝুঁকি না নিয়ে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার ব্যবস্থাও করছেন তাঁরা।
হরিয়ানার আম্বালার এক ব্যক্তি ওই হুমকি পাঠিয়েছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছে পুলিশ। এই নিয়ে তদন্ত চলছে।
বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গা এবং ধর্মীয় স্থানগুলির নিরাপত্তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন হরিদ্বারের সিনিয়র পুলিশ সুপার প্রেমেন্দ্র ধোবাল।