এই সময়, নানুর: ভোট মিটলেও স্কুলে ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী। অভিযোগ, দু'বার দিন ঘোষণা করেও পরীক্ষা হয়নি বীরভূম জেলার নানুরের তৈবা খাতুন স্মৃতি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে। ক্ষোভ তৈরি হয় ছাত্রী এবং অভিভাবকদের মধ্যে। আঁচ পেয়ে সোমবার স্কুল থেকে বাহিনী সরায় প্রশাসন। মঙ্গলবার পরীক্ষা দিল ছাত্রীরা।
ওই স্কুলে ৬০০ জন ছাত্রী। অন্য স্কুলের মতো এখানেও এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে প্রথম সেমেস্টারের পরীক্ষা নির্ধারিত ছিল। ৩০ মার্চ বাংলায় ভোটের জন্য আসা কেন্দ্রীয় বাহিনীকে স্কুলে রাখা হয়েছিল। ফলে প্রথম বার পরীক্ষা বাতিল করে ৫ মে দিন ঠিক হয়। কিন্তু বাহিনী থাকায় বাতিল হয় তা। অভিভাবকদের অভিযোগ, বন্ধ ছিল পঠনপাঠন। তার পরে বিভিন্ন মহলে স্কুল থেকে বাহিনী সরানোর দাবি ওঠে। দাবি মানা হয় সোমবার।
মঙ্গলবার তিনটি শিফটে শুরু হয় দু'বার পিছিয়ে যাওয়া পরীক্ষা। স্কুল পুরোপুরি ব্যবহারযোগ্য না-হওয়ায় প্রথম শিফটের নবম শ্রেণির পরীক্ষা নেওয়া হয় স্কুল লাগোয়া সরকারি মুক্তমঞ্চে। পরীক্ষায় বসে খুশি অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী মাসুদা সুলতানা, নবম শ্রেণির অর্শিয়া রজকরা। তারা জানিয়েছে, দু'বার প্রস্তুতি নিয়েও পরীক্ষা দিতে পারেনি। মঙ্গলবার পরীক্ষা দিয়ে মনোবল ফিরে পেয়েছে।
অভিভাবক কাজী গোলাম মেহেবুব, মৌসুমী রজকদের কথায়, 'স্কুল কেন্দ্রীয় বাহিনীর দখলে থাকায় পড়াশোনার ক্ষতি হয়েছে। সরকারের বহু জায়গা আছে। স্কুলের পরিবর্তে সেখানে বাহিনী রাখার ব্যবস্থা হলে পড়াশোনা বন্ধ থাকত না।'