• কলকাতা পুরসভার ২১৭টি স্কুলেও এবার ইসকনের মিড-ডে মিল, শুরু প্রস্তুতি
    দৈনিক স্টেটসম্যান | ২৪ জুন ২০২৬
  • স্কুলের পড়ুয়াদের আরও পুষ্টিকর খাবার দিতে ইসকনের সঙ্গে হাত মেলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। সোমবার বিধানসভায় বাজেট পেশ করতে গিয়ে অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত এই ঘোষণা করেন। কলকাতা পুর এলাকার স্কুলগুলিতে মিড-ডে মিলের গুণমান ও পুষ্টিগুণ বাড়াতে ইসকনের সহযোগিতা নেওয়া হবে। পাশাপাশি প্রাথমিক স্তরের পড়ুয়াদের জন্য মিড-ডে মিল খাতে মাথাপিছু বরাদ্দ ৬.৭৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০ টাকা করা হয়েছে। তবে উচ্চ প্রাথমিক স্তরের পড়ুয়াদের জন্য বরাদ্দ অপরিবর্তিত রেখে ১০.৭১ টাকাই রাখা হয়েছে।

    কলকাতা পুরসভার অধীনে প্রাথমিক (প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি) ও উচ্চ প্রাথমিক (ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি) স্কুল চালু রয়েছে। এক সময়ে পুরসভার অধীনে ছিল ২৭২টি স্কুল। পরে তা কমে ২৬৩-তে দাঁড়ায়। বর্তমানে সক্রিয় স্কুলের সংখ্যা ২১৭। এই স্কুল গুলিতেও চালু হচ্ছে এই প্রকল্প। বাজেটে ঘোষণার পরেই যা নিয়ে পুরসভায় শুরু হয়ে গিয়েছে প্রাথমিক প্রস্তুতি। সূত্রের খবর, আগামী ১ থেকে ২ মাসের মধ্যে ইসকনের তরফেও কলকাতার স্কুলগুলিতে পরিদর্শনে যাওয়া হবে। আর তার মধ্যেই নিজেদের পরিকাঠামো শক্ত করে গড়ে তুলছে ইসকন।

    মিড-ডে মিল প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত রাঁধুনি ও সহায়কদের জন্যও সুখবর দিয়েছে সরকার। তাঁদের মাসিক ভাতা ১ হাজার টাকা বাড়ানোর ঘোষণা করা হয়েছে।শুধু খাবারের মানোন্নয়ন নয়, স্কুলের পরিকাঠামো উন্নয়নের দিকেও জোর দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক স্কুলগুলিতে বিশুদ্ধ পানীয় জলের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ওয়াটার পিউরিফায়ার বসানো এবং তার ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি সব প্রাথমিক স্কুলে পাখা লাগানোর কাজকেও অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

    পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে ২১৭ টি স্কুলের মধ্যে ৬৭টি ইংরেজি মাধ্যম, ৭০টি বাংলা মাধ্যম, ৩৮টি হিন্দি মাধ্যম, ৪১টি উর্দু মাধ্যম, একটি ওড়িয়া মাধ্যম স্কুল এবং ৬৫টি শিশু শিক্ষা কেন্দ্র রয়েছে। মোট পড়ুয়ার সংখ্যা প্রায় ১৩ হাজার। শিক্ষকের সংখ্যা প্রায় ৬০০। এর মধ্যে ৫০০ জন স্থায়ী এবং ১০০ জন অস্থায়ী। হিন্দি মাধ্যম স্কুলে কর্মরত শিক্ষক রয়েছেন ৯৫ জন।
  • Link to this news (দৈনিক স্টেটসম্যান)