বিধানসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মহিলাদের উপর অত্যাচার সংক্রান্ত মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সরকার ইতিমধ্যেই বিশেষ কমিশন গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আর জি করের নির্যাতিতার পরিবারের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘অভয়ার বিচার হবে। বাংলার মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে ভোট দিয়েছে ন্যায়বিচারের আশায়। সেই বিশ্বাস আমরা ভাঙব না।’ মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্য শুনে দর্শকাসনে উপস্থিত নির্যাতিতার মা আবেগে ভেঙে পড়েন। দীর্ঘদিনের লড়াই, অপেক্ষা আর বেদনার মাঝে বিচার পাওয়ার আশ্বাসে তাঁর চোখে জল চলে আসে। কিছুক্ষণের জন্য বিধানসভাতেও আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়।
শুধু আর জি কর নয়, কামদুনি, হাঁসখালি, কসবা ল’ কলেজ, রামপুরহাট-সহ রাজ্যের একাধিক বহুচর্চিত নারী নির্যাতনের ঘটনার প্রসঙ্গও এদিন তুলে আনেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, অতীতের সমস্ত অভিযোগ ও মামলার অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে এমন ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই আর জি কর-কাণ্ডে তিনজন আইপিএস অফিসারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
উল্লেখ্য, সরকার পরিবর্তনের পর নতুন করে তদন্তের গতি পেয়েছে আর জি কর-কাণ্ড। একাধিক পুলিশ আধিকারিককে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে তদন্তকারী সংস্থা। তৎকালীন প্রশাসনিক ভূমিকা ও সম্ভাব্য গাফিলতির দিকগুলিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই আবহে বিধানসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রীর প্রকাশ্য আশ্বাস নির্যাতিতার পরিবার এবং বিচারপ্রত্যাশীদের কাছে নতুন তাৎপর্য বহন করছে।