জলে গেল লিওনেল এমপাসির দুরন্ত লড়াই। একাই আটটি সেভ দিয়ে কলম্বিয়ার কাঁটা হয়ে উঠেছিলেন কঙ্গোর এই গোলকিপার। তবে শেষরক্ষা হলো না। বুধবার গুয়াদালাহারায় গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দানিয়েল মুনোজ়ের একমাত্র গোলে কঙ্গোর বিরুদ্ধে জয় তুলে নিল কলম্বিয়া। দুই ম্যাচেই জিতে ‘K’ গ্রুপ থেকে প্রথম দল হিসেবে হামেস রদ্রিগেজ়, লুইস দিয়াসরা পৌঁছে গেলেন বিশ্বকাপের নকআউটে। দারুণ লড়াই করেও হার মানল কঙ্গো। তবে কলম্বিয়ার এই জয়ে রাউন্ড অফ ৩২-এ জায়গা পাওয়ার দৌড়ে চাপ বাড়ল পর্তুগালের উপরে।
৮ সেভে দুরন্ত লড়াই এমপাসির
গোটা ম্যাচে বলের দখল এবং আক্রমণের দিক থেকে আধিপত্য দেখায় কলম্বিয়া। মিডফিল্ড থেকে আক্রমণ গড়েন হামেস রদ্রিগেজ়। উইং থেকে ধারাবাহিকভাবে কলম্বিয়ার হয়ে ঘনঘন আক্রমণ শানান লুইস দিয়াস। অন্য দিকে স্ট্রাইকার হিসেবেও জ্বলে ওঠেন জন আরিয়াস।
কিন্তু কলম্বিয়ার সব আক্রমণের সামনে দুর্ভেদ্য প্রাচীর হয়ে দাঁড়ান কঙ্গোর গোলকিপার এমপাসি। ম্যাচ জুড়ে একের পর এক অসাধারণ সেভ করেন তিনি। বক্সের ভিতর থেকে হামেসের নেওয়া শট রুখে দেন তিনি। রুখে দেন দিয়াস, আরিয়াসকেও। শেষ পর্যন্ত আটটি সেভ করেন তিনি।
দানিয়েল মুনোজ়ের গোলে কলম্বিয়ার জয়
ক্রমাগত চাপের মুখে কঙ্গোর রক্ষণ শেষ পর্যন্ত ভাঙে ৭৬ মিনিটে। হুয়ান কিন্তেরোর ডিফেন্সচেরা পাস পৌঁছে যায় মুনোজ়ের কাছে। নিখুঁত টাইমিংয়ে বক্সে ঢুকে ডান পায়ে জোরালো শট নেন কলম্বিয়ার এই ডিফেন্ডার। বল সামান্য দিক পাল্টে এমপাসির নাগাল এড়িয়ে জালে জড়িয়ে যায়।
কেন চাপ বাড়ল পর্তুগালের উপরে?
এই জয়ের ফলে দুই ম্যাচে ছয় পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ ‘K’ থেকে নকআউট পর্বে জায়গা নিশ্চিত করল কলম্বিয়া। এতে চাপ বাড়ল পর্তুগালের উপরে। মঙ্গলবার উজ়বেকিস্তানকে হারিয়ে দুই ম্যাচে চার পয়েন্টে রয়েছে ক্রিস্তিয়ানো রোনাল্দোর দল। শেষ ম্যাচে কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে খেলবে পর্তুগাল।
অন্য দিকে দুই ম্যাচে এক পয়েন্ট নিয়ে এখনও নকআউটে ওঠার আশা বেঁচে আছে কঙ্গোর। গ্রুপের শেষ ম্যাচে কলম্বিয়ার কাছে পর্তুগাল হারলে এবং উজ়বেকিস্তানের বিরুদ্ধে কঙ্গো জিতলে তখন ছিটকে যেতে পারে রোনাল্দোর দল।