আজকাল ওয়েবডেস্ক: গভীর রাতে তল্লাশি অভিযান। একযোগে তিনটি জায়গায় তল্লাশি চালানোর পর আমতা বোমা বিস্ফোরণ কাণ্ডে দুই মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করল এনআইএ।
এনআইএ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার গভীর রাতে তল্লাশি চালিয়ে আফসার ও এন্তাজুল নামের দুই মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দু'জনেই হাওড়ার আমতা এলাকার বাসিন্দা। তাঁদের চক্রান্তেই চন্দ্রপুর এলাকায় বেআইনিভাবে বোমা বাঁধার কাজ চলছিল।
প্রসঙ্গত, ২০২২ সালে ২৩ ফেব্রুয়ারি আমতা থানা এলাকায় তৃণমূলের পার্টি অফিসে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটেছিল৷ সেই বিস্ফোরণে জখম হয়ে কয়েকদিন পর শেখ মহরম আলি মারা যান। আহত হয়েছিলেন আরও তিনজন। তাঁর বাবা সরাবত আলি পুলিশে অভিযোগ জানাতে গেলে পুলিশ এফআইআর নেয়নি বলে অভিযোগ ওঠে। উল্টে তাঁকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়। তাঁর নামে নতুন অভিযোগ দায়ের হয়। সরাবত আলি এই মামলায় আদালতে এনআইএ তদন্তের আবেদন করেন আদালতে৷
পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগে মৃত যুবকের বাবা সরাবত আলি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। এনআইএ তদন্তের দাবি জানিয়েছিলেন তিনি। সরাবত আলির অভিযোগ ছিল, তিনি বিরোধী রাজনৈতিক দলের সদস্য হওয়ার জন্য আমতার চন্দ্রপুর এলাকায় যেতে পারতেন না। ২৩ ফেব্রুয়ারি তৃণমূল পার্টি অফিসে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তাঁর ছেলেকে। সেখানে বোমা বাঁধা হচ্ছিল। সেখানেই বোমা ফেটে আহত হন ছেলে। পরদিন হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর।
২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে এই মামলার তদন্তভার নেয় এনআইএ। দীর্ঘ তদন্তের পর তদন্তকারী আধিকারিকরা জানিয়েছেন, সেদিন তৃণমূল পার্টি অফিসে আফসার ও এন্তাজুল বোমা বাঁধার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এলাকায় আতঙ্ক ছড়াতে ও হুমকি দিতেই ওই বোম বাঁধার কাজ হচ্ছিল।