মঙ্গলবার শুরু হয়েছে সিপিএমের রাজ্য কমিটির বৈঠক। দু'দিনের এই বৈঠকেই বড় খবর রানার জন্য। জেলা সেক্রেটারি, এরিয়ার কমিটি পেরিয়ে এবার সিপিআইএম-এর রাজ্য কমিটিতে রানা। কী বলছেন রানা নিজে? ডোমকলের বিধায়ক বলছেন, 'যে কোনও ক্ষেত্রে, কাজ করে স্বীকৃতি পাওয়া গেলে, ভাল লাগে। আমার ভাল লাগছে দল আমাকে স্বীকৃতি দিয়েছে। বামপন্থীদের কাছে উচ্চতর কমিটিতে যাওয়া মানে বর্ধিত দায়িত্ব পালন করা। এর বাইরে কিছু নয়। জেলা সেক্রেটারি মেম্বার ছিলাম, এরিয়ার কমিটির মেম্বার, কাজ করেছি, করব। কাজ করতে করতে দল মনে করছে রাজ্য কমিটি স্তরে কাজ করার যোগ্যতা হয়েছে। পার্টিকে ধন্যবাদ , কাজের স্বীকৃতি আমি পেলাম।' রানা এবার বিধানসভায় এক। এক থেকে একশ হওয়ার স্বপ্ন দেখছে লাল পতাকা।
উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগেই, বাজেট নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান তিনি। বাম বিধায়ক "জনমোহিনী মুখোশের আড়ালে অন্তসারশূন্য বাজেট" বলে আখ্যা দিয়ে সংখ্যালঘু উন্নয়ন ও মাদ্রাসা শিক্ষা দপ্তরের বাজেট বরাদ্দের খতিয়ান তুলে ধরেন। তাঁর ক্ষোভ, ২০২৫ সালে এই দপ্তরের বরাদ্দ যেখানে ছিল ৫,৭১৩.৬১ কোটি টাকা, সেখানে ২০২৬ সালের বাজেটে তা এক ধাক্কায় কমিয়ে মাত্র ২,১৬৫.৪২ কোটি টাকা করা হয়েছে, অর্থাৎ প্রায় ৩,৫৪৮.১৯ কোটি টাকা কেটে নেওয়া হয়েছে। মোস্তাফিজুর বাবু বলেন, একদিকে যখন "সবকা সাথ, সবকা বিকাশ, সবকা উন্নয়ন"-এর বড় বড় কথা বলা হচ্ছে, অন্যদিকে বাজেটে তার কোনও প্রতিফলনই নেই। এছাড়া মুর্শিদাবাদ ও মালদার অন্যতম প্রধান সমস্যা নদী ভাঙন রোধে কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা বা পর্যাপ্ত বরাদ্দ রাখা হয়নি। পরিবেশ রক্ষা কিংবা পরিযায়ী শ্রমিকদের পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থানের কোনও দিশা এই বাজেটে মেলেনি, এমনকি ঝুলে থাকা SSC ও TET নিয়োগের জট কাটানোর বিষয়েও কোনও স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়নি।