• তনয় শাস্ত্রীর এফআইআরে কড়া পদক্ষেপ নয়, হাই কোর্টের নির্দেশ স্বস্তিতে মিমি
    প্রতিদিন | ২৪ জুন ২০২৬
  • বনগাঁয় অনুষ্ঠান নিয়ে অশান্তির ঘটনায় স্বস্তি প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ তথা অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীর। বিজেপি নেতা তনয় শাস্ত্রী অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। তার পরিপ্রেক্ষিতে সুরক্ষা চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মিমি। আদালতের তরফে আপাতত ওই এফআইআরে স্থগিতাদেশ জারি করেছে। আপাতত মিমির বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ করা যাবে না বলেই জানাল বিচারপতি কৌশিক চন্দের সিঙ্গল বেঞ্চ।

    উল্লেখ্য, ঘটনার সূত্রপাত গত ২৫ জানুয়ারি। বনগাঁর নয়াগোপালগঞ্জ যুবক সংঘের পরিচালনায় বাৎসরিক অনুষ্ঠান ছিল। সেখানে অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ মিমির অনুষ্ঠানের সময় ছিল। ক্লাব সদস্যদের অভিযোগ, মিমি একঘণ্টা দেরিতে সেখানে পৌঁছন। মঞ্চে উঠতে উঠতে তাঁর পৌনে ১২টা বেজে যায়। রাত ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠানের অনুমতি ছিল। সেই কারণে তাঁকে মঞ্চ থেকে নামিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীকে হেনস্থা করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়। ওই ঘটনায় পুলিশ তনয়কে ধরার জন্য গিয়েছিল বনগাঁ থানার পুলিশ। অভিযোগ, সেসময় পুলিশকে বাধা দেওয়া হয়। তাঁকে থানায় নিয়ে যাওয়ার জন্য পুলিশকে প্রথমে বেগ পেতে হয়েছিল।

    পুলিশকে ‘হেনস্তা’ ও কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগেও মামলা হয় তনয় শাস্ত্রী ও ধৃত দু’জনের বিরুদ্ধে। আদালতে তোলা হলে বিচারক তনয় শাস্ত্রীদের জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। শনিবার সেই মেয়াদ শেষে ধৃতদের আদালতে তোলা হয়। অভিনেত্রী মিমি করা মামলায় জামিন পান তনয়। তবে পুলিশকে করা হেনস্তা মামলায় সেদিন জামিন মেলেনি। গত ১২ ফেব্রুয়ারি পুলিশের দায়ের করা মামলায় তনয়কে জামিন দেয় আদালত। তার ফলে ওই সন্ধ্যায় তনয় শাস্ত্রীর জেলমুক্তি হয়। এরপর জামিনে ছাড়া পেয়ে পালটা মিমির বিরুদ্ধে ২০ লক্ষ টাকার মানহানির মামলা দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগ অনুযায়ী, একের পর এক এক তারিখ পেরিয়ে গেলেও আদালতে গরহাজির মিমি। তাই তনয়ের আইনজীবী ও বিজেপির বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারি আদালতে নায়িকার বিরুদ্ধে চার্জশিট গঠনের আবেদন করেন। এই পরিস্থিতিতেই এবার সুরক্ষা চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী ৷
  • Link to this news (প্রতিদিন)