দিঘা বর্ডার এলাকায় মিলন মাইতি নামের এক হোটেল কর্মীর অস্বাভাবিক মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য, মৃত যুবক রামনগরের বাসিন্দা। ২২ জুন রাতে হোটেল থেকে বাড়ি ফেরার পথে সাড়ে ন’টা নাগাদ তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করেন স্থানীয়রা। দিঘা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনার তদন্তে নেমে মঙ্গলবার রাতে পবিত্র পাট্টায়েক, কিশোর পাট্টায়েক, পিন্টু পাট্টায়েক এবং মাধব বেরা নামে চারজনকে গ্রেফতার করেছে দিঘা থানার পুলিশ। বুধবার ধৃতদের কাঁথি আদালতে পেশ করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫ দিনের পুলিশি হেফাজতের আবেদন জানানো হয়।
সূত্রের খবর, সোমবার রাতে বাড়ি ফেরার পথে রাস্তায় অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসক। কিন্তু তাঁর শরীরে কোথাও কোনও আঘাতের চিহ্ন মেলেনি। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম মিলন মাইতি (৩১), তাঁর বাড়ি রামনগর থানার অন্তর্গত যোশথিকঘরি এলাকায়। মিলন নিউ দিঘার একটি হোটেলের কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন।
হোটেল সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাত সাড়ে ন’টা নাগাদ মিলন হোটেলের কাজ শেষ করে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। তার কিছুক্ষণ পরেই তিনি হোটেলের সহকর্মীদের ফোন করেন। ফোনে জানান, দিঘা সীমানার কাছে কয়েকজন তাঁর রাস্তা আটকেছে। হোটেলের সহকর্মীদের সেখানে পৌঁছতে বলেন, সেই মতো সহকর্মীরাও পৌঁছে গিয়েছিলেন। কিন্তু তখনই তাঁকে অসুস্থ অবস্থায় রাস্তার ধারে পড়ে থাকতে দেখেন। এরপর সহকর্মীরা তাঁকে দিঘা স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলেও শেষরক্ষা হয়নি। পুলিশ সূত্রে খবর, মিলনের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট হাতে এলে মিলনের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা সম্ভব হবে।