কলকাতার বুকে তারাতলায় ভয়াবহ দুর্ঘটনা। নির্মীয়মাণ গোডাউনের ছাদ বসে ভিতরে আটকে পড়েছেন বহু শ্রমিক। বুধবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ এই ঘটনা ঘটে। ভেঙে পড়ার ঠিক আগের মুহূর্তে কী হয়েছিল? এই সময়কে জানালেন এক প্রত্যক্ষদর্শী।
ভেঙে পড়ার ঠিক আগে নির্মীয়মাণ গোডাউনের একটি জায়গা নড়ছিল বলে দাবি প্রত্যক্ষদর্শীর। প্রতীক পাণ্ডে নামে ওই ব্যক্তি বলেন, ‘এখানে একটা চারতলা গোডাউন হচ্ছিল। লোহার আয়রনের স্ট্রাকচারের উপরে ঢালাই করে কাজ হচ্ছিল। প্রথমে ফোর্থ ফ্লোর, তারপরে থার্ড, তারপরে সেকেন্ড ফ্লোর ঢালাই হয়েছিল। যাঁরা কাজ করতেন, তাঁরা ভিতরে ছিলেন। ওখানে ওঁরাই দেখেছে যে, নড়ছিল জায়গাটা একটু। ওঁরা কাজ করার মধ্যে হঠাৎ স্ট্রাকচারটা বসে গিয়েছে।’
কারা প্রথমে এসেছিলেন এলাকায়? প্রতীক পাণ্ডে জানাচ্ছেন, তাঁরা পাশেই ছিলেন। মিনিট দশেকের মধ্যে এসে পৌঁছেছেন ঘটনাস্থলে। তিনি বলছেন, ‘তখন কিছু বোঝার মত অবস্থা ছিল না। আমরা যখন দেখেছি ২০-২৫ জন ছিলাম, তার পরে আধ ঘণ্টার মধ্যে সবাই চলে এসেছে।’
প্রতীক পাণ্ডে জানান, এটা বেআইনি নির্মাণ না। পোর্টের লিজে যিনি নিয়েছিলেন তিনি কন্ট্রাক্টরকে দিয়েছিলেন। প্রতীক বলেন, ‘আমরা যা জানি, শম্ভু বেরা নামে একজন, উনি চায়ের বিজনেস করেন। উনি একটা কন্ট্র্যাক্ট দিয়েছিলেন একজনকে। মেন কন্ট্রাক্টর কে ছিল, সেটা এখন আমি বলতে পারব না।’
প্রতীক পাণ্ডে জানান, এক লক্ষ বর্গফুট এলাকা ছিল। তিনি বললেন, ‘অনেক জায়গায় চেঁচানোর আওয়াজ আসছে, অনেক জায়গায় মহিলারা চেঁচাচ্ছেন, তাঁদের জল দেওয়া হয়েছে। অক্সিজেনও দেওয়া হচ্ছে। সেনা, পুলিশ টিম, প্রশাসন টিম এখন চলে এসেছে সবাই।’