• তারাতলা গিয়েও ঘটনাস্থলে পা রাখতে পারলেন না ফিরহাদ, কেন ফিরতে বলল পুলিশ?
    প্রতিদিন | ২৫ জুন ২০২৬
  • কলকাতা পুরসভা তারাতলার গুদাম তৈরির অনুমোদন দিয়েছিল চলতি বছরের জানুয়ারিতে। সেই সময় মেয়র ছিলেন ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim)। তাই নির্মীয়মাণ গুদাম ভেঙে পড়ার (Taratala Factory Collapse) খবর পাওয়ামাত্রই দৌড়ে যান প্রাক্তন মেয়র। তবে শেষ পর্যন্ত ঘটনাস্থলে পৌঁছতে পারলেন না প্রাক্তন মহানাগরিক। মাঝরাস্তায় তিনি পুলিশি বাধার মুখে পড়েন বলেই খবর।

    মাত্র ৫ মাসের মাথায় বুধবার ১২টা ৭ মিনিটে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়েছে তারাতলার তিনতলাক গুদাম। ধ্বংসাবশেষের নিচে চাপা পড়ে যান বহু শ্রমিক। খবর পাওয়া মাত্রই একের পর এক মন্ত্রী ঘটনাস্থলে যান। ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ, স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়, পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল ঘটনাস্থলে পৌঁছন। উদ্ধারকাজের প্রতি মুহূর্তের আপডেট নিচ্ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময় ঘটনাস্থলে যান কাউন্সিলর আনোয়ার খান। বাধার মুখে পড়ে এলাকাছাড়া হন তিনি। তাই যাতে আরও নতুন করে বিপর্যয়স্থলে কোনও অশান্তি তৈরি না হয় তাই তাঁকে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ করে পুলিশ। সেই অনুযায়ী ফিরে যেতে বাধ্য হন ফিরহাদ হাকিম। পরে যদিও তিনি এসএসকেএম হাসপাতালে যান।

    উল্লেখ্য, বুধবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এই ঘটনায় প্রাণ গিয়েছে মোট ৩ জনের। তাঁরা হলেন বছর চল্লিশের রোহিত চৌধুরী, বছর তিরিশের কৃষ্ণ চৌধুরী এবং আরেকজনের নাম-পরিচয় এখনও জানা যায়নি। জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে মোট ১৮ জনকে। মোট ২০টি অ্যাম্বুল্যান্স উদ্ধার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। তারাতলা থেকে আহতদের উদ্ধারের পর গ্রিন করিডর করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এসএসকেএম হাসপাতালে। সেখানে আপাতত চিকিৎসাধীন মোট ৮ জন। তাঁরা হলেন দুর্বাশা মাল্লান, মণিচাঁদ কুমার, শহিদ কুমার, রাজেশ রুইদাস, বিশ্ব প্রকাশ, বোদন মুণ্ডা, রাজেন্দ্র রাও, রামপ্রসাদ চৌধুরী। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সুমনা সরকার এসএসকেএমে জখমদের চিকিৎসার দিকে নজর রেখেছেন। বিপর্যয়স্থলেও খোলা হয়েছে একটি মেডিক্যাল ক্যাম্প। সন্ধ্যায় দুর্ঘটনাস্থলে যাওয়ার কথা মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্রসচিবের।
  • Link to this news (প্রতিদিন)