বিপজ্জনক ভাবে এখনও ঝুলছে গোডাউনের ছাদের একাংশ। তা ভেঙে পড়ে যাতে নতুন করে বিপত্তি না বাড়ে, তার জন্য ক্রেনের সাহায্যে সেই ভারী ভারী লোহার বিমকে আটকে রাখা হয়েছে।
তারাতলার গোডাউনে ছাদ ভেঙে পড়ার ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৮। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। বুধবারই সরকারের তরফে পাঁচ জনকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়েছিল। এ দিন সকালে ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার হয় আরও দুই জনের মৃতদেহ। এখনও পর্যন্ত ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৩১ জনকে। তার মধ্যে সাত জন মৃত।
উদ্ধারকারী দল সূত্রে খবর, নীচে চাপা পড়া মানুষদের অনেকরই মোবাইল এখনও সচল। সেই মোবাইলের টাওয়ার লোকেট করেও চলছে ধ্বংসস্তূপে আর কেউ চাপা পড়ে আছে কি না। এ ছাড়া সেনার কাছে থাকা একটি বিশেষ রেডারও আনা হয়েছে। তাতে তুষারধসে বা ধসে কেউ চাপা পড়ে আছে কি না তা বোঝা যায়। সেই যন্ত্র এনেই এখন তারাতলার ধ্বংসস্তূপের নীচে চলছে প্রাণের সন্ধান।
তারাতলা দুর্ঘটনার পরে ১৮ ঘণ্টারও বেশি সময় কেটে গেলেও এখনও ভিতরে বেশ কয়েকজন আটকে রয়েছেন বলে অনুমান উদ্ধারকারীদের। স্নিফার ডগ ও অত্যাধুনিক যন্ত্র ব্যবহার করে ভিতরে আটকে থাকা মানুষদের খোঁজ চলছে।
তারাতলার ধ্বংসস্তূপ থেকে বৃহস্পতিবার সকালে আরও পাঁচ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। কিন্তু তাঁদের পরিস্থিতি সম্পর্কে এখনও কোনও সরকারি আপডেট মেলেনি। এখনও চলছে উদ্ধারকাজ। ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছেন স্বরাষ্ট্র সচিব ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী। ঘটনাস্থল থেকে এখনও পর্যন্ত উদ্ধার হওয়া শ্রমিকের সংখ্যা দাঁড়াল ৩১। এর মধ্যে পাঁচ জনকে বুধবারই মৃত ঘোষণা করা হয়েছে।
বাঁকুড়া পুরসভার বোর্ড অফ কাউন্সিলকে অবিলম্বে ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ জারি করল রাজ্যের নগরোন্নয়ন ও পুর বিষয়ক দপ্তর। বুধবার প্রকাশিত সরকারি নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে পুর এলাকার একাধিক নাগরিক পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চালানো হয়। তদন্তে উঠে আসে একাধিক অনিয়ম।