• ফরেনসিক রিপোর্টই ভুয়ো! বিপাকে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী
    বর্তমান | ২৫ জুন ২০২৬
  • চণ্ডীগড়: শিখ গুরুদের অবমাননার অভিযোগে নতুন করে বিপাকে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান। অভিযোগ থেকে বাঁচতে পুলিশের সাহায্যে মান ভুয়ো ফরেনসিক রিপোর্ট প্রকাশ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ওই রিপোর্টে দাবি করা হয়, শিখ গুরুদের অবমাননা সংক্রান্ত ভিডিওতে যে ব্যক্তিকে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী বলে দাবি করা হচ্ছে, তিনি মান নন। যদিও ১০ লক্ষ টাকার বিনিময়ে ওই ভুয়ো রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এব্যাপারে হরিয়ানার এক ফরেনসিক ও সাইবার তদন্ত বিশেষজ্ঞ  গুরুগ্রাম পুলিশে এফআইআর দায়ের করেন। এই ঘটনায়  পাঞ্জাবের আপ সরকারের উপর চাপ বাড়িয়েছে বিরোধীরা।  মানকে অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি তুলেছে বিজেপি। এরমধ্যে বুধবার মান ফের দাবি করেছেন, তাঁকে নিয়ে ভুয়ো ভিডিও ছড়ানো হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘শিখ সম্প্রদায় জানে কোনটা আসল আর কোনটা নকল। মানুষই সবটা বিচার করবে। কোনো ইস্যু না পেয়ে বিরোধীরা ধর্মকে হাতিয়ার করছে।’

    কিছুদিন আগে একটি ভিডিয়োতে দেখা যায়, শিখ গুরুদের ছবিতে মদ ছুড়ছেন মান। আপ সরকারের মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ চেয়ে সরব হয় বিজেপি। অকাল তখতের তরফেও মানকে ‘শিখবিরোধী’ তকমা দেওয়া হয়। এরপরই পালটা ওই ফরেনসিক রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়। কিন্তু অভিযোগকারী ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ যশপ্রীতের দাবি, পাঞ্জাব পুলিশের ডিআইজি এবং এসপি পদমর্যাদার অফিসার পরিচয় দিয়ে দু’জন তাঁর কাছে আসে। ওই ভিডিয়োটি ভুয়ো আখ্যা দিয়ে ফরেনসিক রিপোর্ট তৈরি করতে হবে বলে যশপ্রীতকে ভয় দেখানো হয়। জোর করে তাঁর গাড়িতে ১০ লক্ষ টাকা রেখে যায় ওই দুজন। কথা না শুনলে যশপ্রীতের পরিবারও বিপদের মুখে পড়বে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। চাপে পড়ে তিনি রিপোর্ট তৈরি করেন। কিন্তু পরে পুলিশের দ্বারস্থ হন যশপ্রীত। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে দু’জন গ্রেপ্তার হয়। তাদের মধ্যে একজন চুক্তির ভিত্তিতে এনআইএ-র সাইবার বিশেষজ্ঞ হিসাবে কাজ করতেন বলে জানিয়েছেন পুলিশ।
  • Link to this news (বর্তমান)