তারাতলায় বিপর্যয়ের মাঝে এ বার দুর্যোগের দাপট শুরু। বৃহস্পতিবার দুপুরে শুরু হয় তুমুল বৃষ্টি। সঙ্গে লাগাতার বাজের ঝলকানি। সন্ধে ৬টা-৭টায় যেমন অন্ধকার নামে, তেমনই অন্ধকারে ঢেকে যায় চার দিক। গত ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে তারাতলায় যে ভাবে সেনা, এনডিআরএফ, পুলিশ, কেএমসি, দমকল কাজ করে চলেছে, সেই উদ্ধারকাজে কিছুটা ব্যাঘাত ঘটছে। বৃষ্টিতে বিপর্যস্তও হচ্ছে সেই কাজ। তবে এখনও ময়দানে কলকাতা পুলিশ, সেনা, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। চেষ্টায় কোনও খামতি রাখছে না তারা।
বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা ৫০ নাগাদ আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানায়, আগামী ২ থেকে ৩ ঘণ্টায় হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, কলকাতা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া জেলায় তীব্র বজ্রপাতের সঙ্গে বৃষ্টি, দমকা বাতাস বইবে। বাতাসের গতি থাকবে ঘণ্টায় ৫০-৬০ কিলোমিটার। আবহাওয়া দপ্তর পরামর্শ দিয়েছে, যখন এ ভাবে ঘন ঘন বাজ পড়ছে, কংক্রিটের নীচে থাকতে।
পূর্বাভাস মতোই কালো মেঘে ছেয়ে যায় কলকাতা-সহ সংলগ্ন জেলাগুলির আকাশ। মুহূর্তে প্রবল বৃষ্টি শুরু আর আকাশে বাজের ঝলকানি। তাতেই তারাতলাতেও উদ্ধারকাজে ভিলেন হয় আবহাওয়া। দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় সমস্যা হয় উদ্ধারকাজেও।
তথ্য সহায়তা: সোমনাথ চক্রবর্তী