আজকাল ওয়েবডেস্ক: বুধবার তারাতলায় নির্মীয়মাণ গুদাম ভেঙে পড়ে। ভয়াবহ সেই বিপর্যেয় এখনও পর্যন্ত প্রাণ গিয়েছে ১১ জনের। মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে একাধিক। ঘটনায় ওই গুদামের অনুমোদিত নকশায় ত্রুটি ধরা পড়েছে। আতস কাচে কলকাতা পুরসভার ভূমিকা। নিশানায় বিগত তৃণমূল পুরবোর্ড। এরপরই কলকাতা পুরসভা এলাকায় আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত সব ধরনের বাণিজ্যিক নির্মাণকাজ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জানিয়েছিলেন, বিধাননগর ও হাওড়াতেও একই নিয়ম কার্যক হতে পারে। সেই ঘোষণার ২৪ ঘন্টার মধ্যে বৃহস্পতিবার শুভেন্দু অধিকারী বিধানসভায় জানান, কলকাতার পাশাপাশি সংলগ্ন আরও একাধিক পুরসভায় ৩১ জুলাই পর্যন্ত সব ধরনের বাণিজ্যিক নির্মাণকাজ সাময়িক বন্ধ থাকবে।
কোন কোন পুরসভায় নির্মাণকাজ বন্ধ?
বজবজমহেশতলাপূজালিসোনারপুরবারুইপুর
এছাড়াও কোন কোন এলাকায় কাজ বন্ধ?
রাজারহাট- নিউটাউনবিষ্ণুপুর গ্রামীণ এলাকা
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, এই সব পুরসভা এবং পঞ্চায়েত এলাকাগুলিতে তৃণমূল পরিচালিত পুরবোর্ডের সময়ে অনুমোদিত সব নির্মাণের প্ল্যান এবং সেফটি অডিট হবে৷ সেই অডিটে ছাড়পত্র পেলেই ফের নির্মাণকাজের অনুমতি দেওয়া হবে৷ ১ আগস্ট থেকে কাজ শুরু হবে।
এদিন কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারাতলায় নির্মীয়মাণ গোডাউন ভেঙে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১১৷ আহত ১৯ জন৷
তৃণমূল আমলের কলকাতা-সহ বিভিন্ন পুরসভায় নির্মাণ নথি, নকশা অনুমোদনে দুর্নীতি রয়েছে বলে বৃহস্পতিবারই অভিযোগ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, অর্থের বিনিময়ে, কাটমানির বিনিময়ে কলকাতাকে মৃত্যুপুরীতে পরিণত করেছে তৃণমূল কংগ্রেস৷ দায় চাপিয়েছিলেন কলকাতার মহানাগরিক ফিরহাদ হাকিমের উপর। তবে কলকাতার প্রাক্তন মেয়রের দাবি, তারাতলার ওই গোডাউনের নির্মাণকাজের প্ল্যান অনুমোদন এবং নির্মাণের ছাড়পত্র নিয়ম মেনেই হয়েছিল। কিন্তু নজরদারির অভাব, নিম্ন মানের সামগ্রী ব্যবহারের ফলে দুর্ঘটনা ঘটেতে পারে।