গুন্ডা দমনে ‘পাসা’, তোলাবাজিতে সম্পত্তি ক্রোক, সোমেই নতুন বিল আনছে ‘ভরসার’ সরকার
প্রতিদিন | ২৬ জুন ২০২৬
পাবলিক সেফটি অ্যান্ড কন্ট্রোল অফ অ্যান্টি সোশ্যাল অ্যাক্টিভিটিস বিল, ওয়েস্ট বেঙ্গল মেন্টানেন্স অফ পাবলিক অর্ডার-সহ রাজ্য বিধানসভায় চলতি অধিবেশন একাধিক বিল আসছে। বেআইনি আয়ের উৎস থেকে তৈরি সম্পত্তির দখল রুখে ‘গুণ্ডাদমনে’ আরও কড়া আইন আনছে রাজ্য সরকার। গুন্ডামি, ঘুষ নিয়ে বেআইনি সম্পত্তিকে আইনি বানানোর মতো অপরাধকে সামনে রেখে বিল তৈরি হয়েছে। তাতে ন্যায় সংহিতা অনুযায়ী আইনের সমস্ত ধারা প্রয়োগ করা যাবে। তার জন্য ‘গুণ্ডা’ শব্দকে বিলে সংযুক্ত করা হয়েছে। শাস্তি হিসাবে ৭ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে অভিযুক্তের।
পাবলিক সেফটি অ্যান্ড কন্ট্রোল অফ অ্যান্টি সোশ্যাল অ্যাক্টিভিটিস বিলটির উদ্দেশ্য জননিরাপত্তা বজায় রাখা, শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা করা, অসামাজিক কার্যকলাপ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ করা। এছাড়া যাদের সরকার ‘ অসামাজিক’ বা ‘গুন্ডা’ হিসেবে চিহ্নিত করবে, তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক আটক, এলাকা ছাড়ার নির্দেশ, তল্লাশি ও বাজেয়াপ্ত করার ক্ষমতা ইত্যাদি।
‘অসামাজিক কার্যকলাপ’ বলতে কোন কাজ বোঝানো হয়?
‘গুন্ডা ‘ কারা?
বিলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ
এই আইনে আটক ব্যক্তিকে কোথায় রাখা হবে?:
আটক হওয়া ব্যক্তিকে বাংলার যেকোনও সংশোধনাগার অথবা কারাগারে রাখা যাবে।
এই আইনে অভিযুক্ত পলাতক হলে কী হবে?
আটক ব্যক্তিকে কী জানাতে হবে?
যখন কাউকে আটক করা হবে তখন তাকে আটক করার কপি দিতে হবে।
আটকের কারণ জানাতে হবে
তবে জনশৃঙ্খলা, জননিরাপত্তা, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বা জাতীয় নিরাপত্তার বিরুদ্ধে যাবে মনে করলে সরকার তথ্য না-ও দিতে পারে।
বিঃ দ্রঃ
অ্য়াডভাইজারি বোর্ডের কাজ কী?
কাউকে আটক করা হলে সেই মামলা ৩ সপ্তাহের মধ্যে এই বোর্ডের কাছে পাঠাতে হবে।
বোর্ড কী করবে?
সাজা
সাময়িক মুক্তি
এলাকা ছাড়ার নির্দেশ
যদি জেলাশাসক, পুলিশ কমিশনার, বা সরকার অনুমোদিত ডিআইজি পদমর্যাদার বা তার ঊর্ধ্বতন পুলিশ অফিসার মনে করেন যে কোনও ‘গুন্ডা’ অসামাজিক কাজে জড়িত বা জড়াতে চলেছে, তাহলে তাকে শুনানির সুযোগ দিয়ে নির্দেশ দিতে পারবেন।
চলাফেরার ওপর নজরদারি
আপিলের সুযোগ
এই আদেশের বিরুদ্ধে ১৫ দিনের মধ্যে রাজ্য সরকারের কাছে আপিল করা যাবে।
আদেশ ভাঙলে শাস্তি
তল্লাশি ও বাজেয়াপ্তর ক্ষমতা
রাজ্য সরকার বা অনুমোদিত আধিকারিক পুলিশকে ক্ষমতা দিতে পারে। যে কোনও জায়গায় ঢুকে তল্লাশি চালাতে পারেন তদন্তকারী। যে কোনও ব্যক্তি, যানবাহন, নৌ যান ইত্যাদি থামিয়ে তল্লাশি করতে পারেন। এমন নথি, টাকা, সম্পত্তি, বস্তু বাজেয়াপ্ত করতে, যা কোনও অসামাজিক কাজে ব্যবহৃত হয়েছে, হচ্ছে, বা হতে চলেছে বলে পুলিশ মনে করে।