• রাজ্যে মোট আয়ের নিরিখে কমবে রাজস্ব আদায়, ইঙ্গিত দিল এসবিআইয়ের রিপোর্ট
    বর্তমান | ২৬ জুন ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে পশ্চিমবঙ্গের নিজস্ব কর আদায়ের হার কমার ইঙ্গিত দিল স্টেট ব্যাংক (এসবিআই)। তাদের বক্তব্য, সার্বিকভাবে যে টাকা রাজ্যের আয় হবে সেখানে বাংলার নিজস্ব কর বাবদ আয় কমবে। বাংলার অর্থনীতি ফেরাতে কেন্দ্রীয় অনুদানের উপর নির্ভরতা বাড়ছে বলে জানিয়েছে তাদের নতুন রিপোর্ট। তারা জানাচ্ছে, সম্প্রতি বিধানসভায় রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত যে বাজেট পেশ করেছেন, সেখানে রাজ্যের নিজস্ব কর বাবদ রাজস্ব আদায় ১ লক্ষ ৩০ হাজার ৬৭০ কোটি টাকা ধরা হয়েছে। গত অর্থবর্ষ, অর্থাৎ ২০২৫-২৬ -এর সংশোধিত হিসাবে সেই অঙ্ক ছিল ১ লক্ষ ১১ হজার ৭৩৭ কোটি টাকা। অর্থাৎ একবছরে নিজস্ব কর বাবদ আদায় ১৬.৯ শতাংশ বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

    এসবিআই বলছে, গত অর্থবর্ষের সংশোধিত হিসাবে রাজ্যের মোট আয়ের ৪৬ শতাংশ ধরে রেখেছিল নিজস্ব কর আদায়। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষেও একই হার ছিল। এবার তা কমে ৪১ শতাংশ হতে চলেছে। যেখানে কর আদায়ের অংশীদারিত্ব কমতে চলেছে, সেখানে রাজ্যের ভাঁড়ারে টাকা আসবে কোথা থেকে? এসবিআই বলছে, মোট আদায়ের ২২ শতাংশ আসবে কেন্দ্রীয় সরকারি অনুদান থেকে। গত অর্থবর্ষে সেই হার ছিল ৯ শতাংশ। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে তা ছিল আরো কম—৭ শতাংশ। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে আদায় হওয়া করের অংশীদারিত্বও অনেকটাই কমতে চলেছে এবার।
    স্টেট ব্যাংক বলছে, ১০০ টাকার মধ্যে যেখানে গত অর্থবর্ষে ৪৪ টাকা এসেছিল কেন্দ্রীয় রাজস্ব বাবদ, সেখানে এবার তা ৩৪ টাকায় নামতে চলেছে। গত ৬ বছরে এটাই সর্বনিম্ন। রিপোর্টে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, কর আদায়ের বাইরে গিয়েও রাজস্ববৃদ্ধির পথে হাঁটতে হবে রাজ্যকে। দরকারে পিপিপি মডেল অথবা সরকারি সম্পত্তি জমি লিজ দিয়ে আয়ের বহর বাড়াতে হবে।নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে পশ্চিমবঙ্গের নিজস্ব কর আদায়ের হার কমার ইঙ্গিত দিল স্টেট ব্যাংক (এসবিআই)। তাদের বক্তব্য, সার্বিকভাবে যে টাকা রাজ্যের আয় হবে সেখানে বাংলার নিজস্ব কর বাবদ আয় কমবে। বাংলার অর্থনীতি ফেরাতে কেন্দ্রীয় অনুদানের উপর নির্ভরতা বাড়ছে বলে জানিয়েছে তাদের নতুন রিপোর্ট। তারা জানাচ্ছে, সম্প্রতি বিধানসভায় রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত যে বাজেট পেশ করেছেন, সেখানে রাজ্যের নিজস্ব কর বাবদ রাজস্ব আদায় ১ লক্ষ ৩০ হাজার ৬৭০ কোটি টাকা ধরা হয়েছে। গত অর্থবর্ষ, অর্থাৎ ২০২৫-২৬ -এর সংশোধিত হিসাবে সেই অঙ্ক ছিল ১ লক্ষ ১১ হজার ৭৩৭ কোটি টাকা। অর্থাৎ একবছরে নিজস্ব কর বাবদ আদায় ১৬.৯ শতাংশ বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

    এসবিআই বলছে, গত অর্থবর্ষের সংশোধিত হিসাবে রাজ্যের মোট আয়ের ৪৬ শতাংশ ধরে রেখেছিল নিজস্ব কর আদায়। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষেও একই হার ছিল। এবার তা কমে ৪১ শতাংশ হতে চলেছে। যেখানে কর আদায়ের অংশীদারিত্ব কমতে চলেছে, সেখানে রাজ্যের ভাঁড়ারে টাকা আসবে কোথা থেকে? এসবিআই বলছে, মোট আদায়ের ২২ শতাংশ আসবে কেন্দ্রীয় সরকারি অনুদান থেকে। গত অর্থবর্ষে সেই হার ছিল ৯ শতাংশ। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে তা ছিল আরো কম—৭ শতাংশ। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে আদায় হওয়া করের অংশীদারিত্বও অনেকটাই কমতে চলেছে এবার।
    স্টেট ব্যাংক বলছে, ১০০ টাকার মধ্যে যেখানে গত অর্থবর্ষে ৪৪ টাকা এসেছিল কেন্দ্রীয় রাজস্ব বাবদ, সেখানে এবার তা ৩৪ টাকায় নামতে চলেছে। গত ৬ বছরে এটাই সর্বনিম্ন। রিপোর্টে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, কর আদায়ের বাইরে গিয়েও রাজস্ববৃদ্ধির পথে হাঁটতে হবে রাজ্যকে। দরকারে পিপিপি মডেল অথবা সরকারি সম্পত্তি জমি লিজ দিয়ে আয়ের বহর বাড়াতে হবে।
  • Link to this news (বর্তমান)