অপারেশন সিঁদুরে শহিদ হওয়া ভারতের ছয় সেনাকর্তা এবং জওয়ানের নাম প্রথম বার প্রকাশ করল কেন্দ্র। তাঁরা হলেন— রাইফেলম্যান সুনীল কুমার, সুবেদার মেজর পবন কুমার, ল্যান্স নায়েক দীনেশ কুমার, অগ্নিবীর মুড মুরলি নায়েক, হাবিলদার সুনীল কুমার সিং এবং বায়ুসেনার সার্জেন্ট সুরেন্দ্র কুমার।
এই ছয় জনের মধ্যে ২ জনকে মরণোত্তর বীরের সম্মান প্রদান করা হয়েছে। রাইফেলম্যান সুনীল কুমারকে দেওয়া হয়েছে বীর চক্র সম্মান। গত ৮ জুন রাষ্ট্রপতি ভবনে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হাত থেকে এই সম্মান নেন সুনীলের মা-বাবা। আর সার্জেন্ট সুরেন্দ্র কুমার পেয়েছেন বায়ুসেনা পদক। সামরিক ঐতিহ্য মেনে নয়াদিল্লির জাতীয় যুদ্ধ স্মারকের দেওয়ালে খোদাই করা হবে এই ৬ জনের নাম।
দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে যে সেনা জওয়ানেরা দেশের জন্য জীবন দিয়েছেন, তাঁদের স্মৃতিতেই ২০১৯ সালে দিল্লিতে ইন্ডিয়া গেট চত্বরে তৈরি হয় ‘ন্যাশনাল ওয়ার মেমোরিয়াল’। জম্মু-কাশ্মীরে পুলওয়ামা হামলার পরে (সেই বছরের লোকসভা ভোটের ঠিক আগে) এই যুদ্ধ স্মারকের উদ্বোধন করে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকার। ইন্ডিয়া গেট প্রাঙ্গণের পাশে ৪০ একর জমিতে তৈরি হয়েছে এই যুদ্ধ স্মারক। এটির দেওয়াল চারটি সমকেন্দ্রিক বৃত্ত বা চক্রের আকারে বানানো হয়েছে। আকাশ থেকে যা অনেকটা চক্রব্যূহের মতো দেখায়। এই চার চক্রের নাম, অমর চক্র, বীরতা চক্র, ত্যাগ চক্র ও রক্ষক চক্র। ভারতের ইতিহাসে যে সব লড়াই শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়, সেগুলির মুর্যালও রয়েছে দেওয়ালে। সবচেয়ে ছোট চক্রটি অর্থাৎ অমর চক্রের মাঝে রয়েছে স্তম্ভ। ইন্ডিয়া গেটের মতো এখানেও অনির্বাণ শিখা জ্বলে।