• তারাতলা-বিপর্যয়: ছ’টি দপ্তরের সঙ্গে মোকাবিলায় সহায় প্রযুক্তি
    এই সময় | ২৬ জুন ২০২৬
  • তারাতলা বিপর্যয়। ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে পড়া শ্রমিকদের দ্রুত এবং উদ্ধারের লক্ষ্যে আধুনিক প্রযুক্তি এবং বিশেষ সরঞ্জামের সাহায্য নিচ্ছে সেনা, পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। সেই প্রযুক্তির খোঁজ নিল 'এই সময়'

    ধসে পড়া কংক্রিটের স্তূপ, ইস্পাতের বিম ও লোহার রড দ্রুত সরিয়ে ফেলার জন্য হাইড্রোলিক কাটার, গ্যাস কাটার এবং রিং কাটার ব্যবহার করা হচ্ছে। তার ফলে দ্রুত আটকে পড়াদের কাছে পৌঁছানোর পথ তৈরি করা যাচ্ছে।

    ধ্বংসস্তূপ সরাতে আর্থ মুভার, এক্সক্যাভেটর এবং ক্রেনের ব্যবহার করা হয়েছে। ভারী যন্ত্রের সাহায্যে বড় বড় কংক্রিট ব্লক ও ধাতব কাঠামো সরিয়ে উদ্ধার অভিযানের জন্য নিরাপদ করিডর তৈরি করা হচ্ছে।

    ধ্বংসস্তূপের নিচে কেউ জীবিত আছেন কি না তা শনাক্ত করতে ব্যবহার করা হচ্ছে বিশেষ শনাক্তকারী সেন্সর। এগুলোর মাধ্যমে আটকে পড়া ব্যক্তির কণ্ঠস্বর, অথবা সামান্য নড়াচড়াও শনাক্ত করা সম্ভব।

    ইনফ্রারেড ও থার্মাল ইমেজিং প্রযুক্তির সাহায্যে অন্ধকার বা সংকীর্ণ ধ্বংসস্তূপের মধ্যেও মানবদেহের তাপমাত্রা শনাক্ত করা যায়। ফলে জীবিত ব্যক্তিদের অবস্থান নির্ধারণে এই প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

    এনডিআরএফ ও সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষিত উদ্ধারকারী কুকুর মোতায়েন করা হয়েছে। গন্ধ শনাক্ত করার অসাধারণ ক্ষমতার মাধ্যমে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা ব্যক্তিদের অবস্থান চিহ্নিত করতে সহায়তা করছে।

    যে সব জায়গায় সরাসরি পৌঁছানো সম্ভব নয়, সেখানে ভার্টিক্যাল ড্রিলিং এবং মাইক্রো-টানেল তৈরির মাধ্যমে বিকল্প পথ তৈরি করা হচ্ছে। এর ফলে আটকে পড়াদের কাছে দ্রুত পৌঁছাতে পারছেন।

    সেনাবাহিনী, এনডিআরএফ, দমকল ও পুলিশ–সহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিত করতে কো–অর্ডিনেশন গড়ে তোলা হয়েছে। জিপিএস-ভিত্তিক ম্যাপিং, রিয়েল-টাইম তথ্য আদান-প্রদান এবং পরিকল্পনার মাধ্যমে উদ্ধার কাজ চলছে।

  • Link to this news (এই সময়)