• হাতে ঠান্ডা ঠান্ডা কী ঠেকছে! স্কুটির মিটার বক্স খুলতে পায়ের তলা থেকে মাটি সরে গেল...
    News18 বাংলা | ২৬ জুন ২০২৬
  • সাপে ভয় নেই এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। কিন্তু এই গরমে ও বর্ষায় ভারতের গ্রাম-বাংলায় বাড়ে এই চরম বিষাক্ত প্রাণীটির গতিবিধি। এতই নিঃশব্দে চলাফেরা করে সাপ যে কিছু বুঝে ওঠার আগেই সর্প দংশনে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে মাত্র কয়েক মুহূর্তে।

    স্কুটির ভেতর সাপ!বাপের বাপ অবস্থা চালকের৷ অফিস থেকে বাড়ি ফেরার পথে জলপাইগুড়ি শহরের বাবুপাড়ার রাস্তায় এক অদ্ভুত অভিজ্ঞতার সাক্ষী হন বিশ্বজিৎ সরকার। হাতের উপর ঠান্ডা একটা স্পর্শ পেয়ে স্কুটি থামিয়ে তল্লাশি করতেই মিটার বক্সের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসে লিকলিকে চেহারার একটি হেলে সাপ। নির্বিষ প্রজাতির এই সাপটি ঘেন্টি সাপ নামেও পরিচিত। সাপ মুক্ত হয়ে কার্যত ভয়মুক্ত হন বিশ্বজিৎ বাবু।

    বর্ষার শুরুতেই সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকাগুলিতে বাড়তে শুরু করেছে সাপের উপদ্রব। এবার ন্যাজাট থানার হাটগাছি গ্রাম পঞ্চায়েতের নায়েক পাড়ায় উত্তর নলকোড়া নিত্যানন্দ এফ পি স্কুলের পাশ থেকে উদ্ধার হল একটি বিশাল আকৃতির পদ্মগোখরো সাপ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিদ্যালয়ের পাশের বাড়ির এক মৎস্যজীবী প্রতিদিনের মতো মাছ ধরার জন্য রাখা আটোল থেকে মাছ তুলতে গিয়েছিলেন। সেই সময় তিনি দেখতে পান, আটোলের ভিতরে একটি বড় সাপ কুণ্ডলী পাকিয়ে রয়েছে। প্রথমে তিনি ভয় পেয়ে যান এবং সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি এলাকাবাসীকে জানান।

    গ্রামে গ্রামে নানা ধরনের সাপ ঘোরাফেরা করে থাকে। যার মধ্যে কিছু অত্যন্ত বিষধর হয় এবং এই সব সাপের কামড় মারাত্মক হতে পারে। চিকিৎসা বিজ্ঞানে এই সাপের কামড় কিন্তু একটি অত্যন্ত জরুরি চিকিৎসা পরিস্থিতি। কারণ সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা না হলে সাপের কাটায় মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। ভুলে গেলে চলবে না এই ভারতে প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষ সাপের কামড়ে মারা যান, যার অধিকাংশ ঘটনাই ঘটে গ্রামাঞ্চলে।
  • Link to this news (News18 বাংলা)