বর্ষা আসতেই বিপর্যয় শুরু হয়েছে উত্তরবঙ্গে। তোর্ষা থেকে মহানন্দা, তিস্তা— একাধিক নদীর জলস্তর বাড়তে শুরু করেছে। জানা গিয়েছে, সেবক শিবমন্দিরে ধসের জেরে এখনও খোলেনি ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক। শিলিগুড়ি থেকে কালিম্পং ও সিকিমগামী যান চলবে বাগরাকোট হয়ে। সিকিম ও কালিম্পংগামী যান শিলিগুড়িতে নামানো হচ্ছে গোরুবাথান হয়ে।
টানা বৃষ্টির জেরে হু হু করে বাড়তে শুরু করেছে বালাসন নদীর জলস্তরও। ইতিমধ্যেই বালাসনের ফুটব্রিজ সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। জলস্তর কমলে সেই ব্রিজ ফের বসানো হবে। যতদিন না সেনাবাহিনীর বেইলি ব্রিজ তৈরি হচ্ছে, ততদিন শিলিগুড়ি ও মিরিকের মধ্যে সরাসরি যান চলাচল বন্ধ। বৃষ্টি বাড়লে বেইলি ব্রিজ নির্মাণ কাজে ব্যাঘাত ঘটবে বলেও মনে করা হচ্ছে।
আবহাওয়ার দপ্তর জানাচ্ছে, শুক্রবার থেকে টানা পয়লা জুলাই অতিবৃষ্টির পূর্বাভাস। ২৮ ও ২৯ জুন রেড অ্যালার্ট জারি। বাকি দিনগুলি কমলা সতকর্তা রয়েছে। শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত প্রবল বৃষ্টি হবে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে। ভুটান পাহাড়ে প্রবল বর্ষণের পাশাপাশি যদি আলিপুরদুয়ারে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি তা হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।
উল্লেখ্য, দার্জিলিং, কালিম্পং-এ বৃষ্টি বাড়লে পাহাড়ে একাধিক জায়গায় ধসের আশঙ্কা রয়েছে। ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক-সহ একাধিক পাহাড়ি পথে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যেতে পারে ধসের জেরে। পর্যটকদের যাতে অসুবিধা না হয়, সে ব্যাপারেও সতর্ক রয়েছে প্রশাসন।