• বহুতল নিয়ে অডিটের আওতায় আরও তিন পুর এলাকা, দেখা হবে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থাও
    এই সময় | ২৬ জুন ২০২৬
  • তারাতলার বিপর্যয়ের পরে শহরের বেআইনি নির্মীয়মাণ বহুতল ও বিভিন্ন অফিসের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা আরও কড়া পদক্ষেপ করতে চলেছে রাজ্য প্রশাসন। রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল, পুর ও নগরোন্নয়ন (UDMA) দপ্তরের সচিব খলিল আহমেদ, কলকাতা পুরনিগমের প্রশাসক, পুলিশ কমিশনার-সহ একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের নিয়ে একটি বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেই হাইরাইজ় এবং কমার্শিয়াল বিল্ডিং বা বাণিজ্যিক ভবনে ‘স্পেশাল অডিট’, ফায়ার অডিট নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে কলকাতার নির্মীয়মাণ বহুতল, কমার্শিয়াল বিল্ডিংয়ে ‘স্পেশাল অডিট’ চালানো হবে।

    আগেই জানানো হয়েছিল, কলকাতা পুর এলাকার পাশাপাশি রাজারহাট-নিউ টাউন, সোনারপুর ও বজবজ এলাকায় এই অডিট করা হবে। এর সঙ্গে দক্ষিণ দমদম, বরাহনগর এবং কামারহাটি এলাকাকেও যুক্ত করা হলো।

    অডিট রিপোর্টের ভিত্তিতে বহুতলের আবেদন ‘রিজেক্ট’ বা বাতিল হতে পারে। ত্রুটি থাকলে সংশোধনের (Rectify) নির্দেশ দেওয়া হতে পারে। অথবা, সব ঠিক থাকলে ‘ক্লিয়ারেন্স’ বা ছাড়পত্র দেওয়া হবে।

    আগামী ৯০ দিনের মধ্যে হাইরাইজ় বিল্ডিংগুলির ‘ফায়ার অ্যান্ড লাইটনিং অ্যারেস্টার’ অডিট করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    কোন আবাসনকে ‘হাইরাইজ়’ হিসেবে অডিটের আওতায় রাখা হবে, সে ব্যাপারেও এ দিন স্পষ্ট করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, ‘জি প্লাস ফাইভ’ (G+5 অর্থাৎ গ্রাউন্ড প্লাস পাঁচ তলা) বা তার বেশি উঁচু আবাসনকেই ‘হাইরাইজ়’ হিসেবে গণ্য করা হবে। কোনও সাধারণ আবাসিক ভবনের সংস্কার, রেনোভেশন বা প্ল্যান নিয়ে এক্সটেনশন এই অডিটের এক্তিয়ারভুক্ত নয়।

    এ দিন শুভেন্দু বলেন, ‘সরকারের উদ্দেশ্য নগরায়ন বন্ধ করা নয়। তবে দুর্ঘটনার কারণে এই সাবধানতা অবলম্বন করা হচ্ছে। বিল্ডিং প্ল্যান অডিটের টিম তৈরি করা হয়েছে। একইসঙ্গে বাণিজ্যিক বহুতলে ফায়ার অডিট হবে। মানুষের জীবনের দাম আছে। বহুতলেরও প্ল্যান অডিট করা হবে।’

  • Link to this news (এই সময়)