বৃহস্পতিবার দুপুরে মুষলধারে বৃষ্টি। জলমগ্ন হয়ে যায় কলকাতা সহ পার্শ্ববর্তী এলাকা। ২৪ ঘণ্টা পেরোলেও এখনও জলবন্দি হাওড়ার জগাছা। নর্দমার নোংরা জল উপচে পড়েছে রাস্তায়। সেই জল পেরিয়েই চলছে যাতায়াত। শুক্রবার ওই এলাকায় পৌঁছে গেলেন শিবপুরের বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষ। পাজামা গুটিয়ে পাঁক গোলা জলে নেমে স্থানীয়দের অভিযোগ শোনেন তিনি। দ্রুত সমস্যা সমাধানের আশ্বাসও দেন।
স্থানীয় সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার দফায় দফায় বৃষ্টিতে জগাছার বেশ কিছু এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ে। বাড়ির বাইরে পা রাখলেই দুর্ভোগের সীমা নেই। খবর পেতেই শুক্রবার সকালে শিবপুরের ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডের চ্যাংড়াজলা এলাকায় পরিদর্শনে যান এলাকারই বিধায়ক। সঙ্গে ছিলেন হাওড়া পুরসভার কমিশনার, ইঞ্জিনিয়ার সহ পদস্থ কর্তারা। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে নিয়ে ঘুরে দেখেন জলমগ্ন এলাকা। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, এলাকাটি তুলনামূলবক নিচু হওয়ায় সারাবছরই জমা জলের সমস্যা। বর্ষা এলে তো দুর্ভোগ চরমে ওঠে। গতকালের বৃষ্টির জেরে নর্দমার জল রাস্তায় উঠে এসেছে। এই নোংরা জল পেরিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে বাসিন্দাদের।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ শুনে পূর্বতন সরকারের উদাসীনতাকে কাঠগড়ায় তোলেন রুদ্রনীল ঘোষ। বলেন, “দীর্ঘ ১৫ বছরের দুর্নীতির জন্য আজকে এই অবস্থা হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই হাওড়ায় গোড়ালি জল জমে যায়। দীর্ঘ কয়েক বছরের অপরিকল্পিত পুর-বন্দোবস্তই শিবপুরের মানুষের দুর্ভোগ।” রুদ্রনীলের আশ্বাস, “আগামী ৩ বছরের মধ্যে নতুন হাওড়া তৈরি হবে। এবার আর প্লাস্টিকের চটি নয়, হাওড়ার মানুষ এবার চামড়ার জুতো পরতে পারবেন।” তিনি জানান, “৪ হাজার ৭০০ কোটি টাকার নিকাশি প্ল্যান পাস হয়েছে। ম্যাজিক নয়, সব ধীরে ধীরে সমাধান করবে বিজেপি সরকার।”