• ২০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে সরকার! বীরভূমের নীলনির্জনে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য নতুন প্ল্যান
    News18 বাংলা | ২৬ জুন ২০২৬
  • এবার জলাশয়ের উপরে ভাসমান সৌর প্যানেল বসিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজ হবে। মূলত, বর্তমান রাজ্যে সরকারের উদ্যোগে সৌরশক্তির ব্যবহার বাড়াতে বক্রেশ্বর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রর নীলনির্জন জলাধারে এমনি সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প- ‘মেগা সোলার ফোটোভোল্টায়িক’ তৈরি করা হবে। বিজেপি সরকারের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত ২০২৬-২০২৭ সালের বাজেটে এমনই ঘোষণা করলেন। জানা গেছে, এই প্রকল্পের জন্য মোট ২,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে সরকারের তরফ থেকে।

    প্রসঙ্গত, এই বক্রেশ্বর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মধ্যে দু’টি অশোধিত পুকুরে ইতিমধ্যেই সোলার-প্যানেল বসিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজ শুরু করা হয়েছে। যার বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা আনুমানিক প্রায় ১০ মেগাওয়াট। তবে এবার বক্রেশ্বর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রর নীলনির্জন জলধারের একাংশে বিরাট আকারে ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

    পিডিসিএল সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পটির জন্য প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল প্রায় বছর দেড়ের আগেই। প্রকল্পটি বাস্তবে রূপায়ণের জন্য ডিপিআর (ডিটেল প্রজেক্ট রিপোর্ট) বানানোর আগে জলাশয় ও আশপাশের এলাকায় ‘থার্মো ডায়নামিক সার্ভে’ করা হয়েছিল ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে। সেই সময় সমীক্ষাটি চালিয়েছিলেন মহারাষ্ট্রের একটি সংস্থার হাইড্রো-ইঞ্জিনিয়ারেরা। এর জন্য যাবতীয় খরচ বহন করেছিল এশিয়ান ডেভলপমেন্ট ব্যাঙ্ক।

    সেই সময় সমীক্ষক দলের ইঞ্জিনিয়ারেরা বলেছিলেন জলাশয়ের ২৫ মিটার গভীরতায় একটি ডিভাইস বসানো হচ্ছে। জলের স্রোত, ঢেউের মাপ, জলের তাপমাত্রা, জলের গভীরতা, লবণাক্ততা-র মতো নানা তথ্য ওই যন্ত্রে পাওয়া যাবে। সে তথ্য বিশ্লেষণ করবেন জিওলজিস্টরা। তার পরেই পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে।
  • Link to this news (News18 বাংলা)