মিল্টন সেন: গভীর রাতে বাড়ি থেকে যুবককে তুলে নিয়ে গেলো পুলিশ। ব্যান্ডেল কেওটা রাধারানী কলোনীর বাসিন্দা ওই যুবকের নাম পলাশ চক্রবর্তী। তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী পলাশ এক সময় কলেজে ছাত্র রাজনীতি করেছে। একসময় শ্রীরামপুর কলেজে টিএমসিপির জিএসও ছিলেন।
পরবর্তী সময়ে তৎকালীন যুব তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি শান্তনু ব্যানার্জির সঙ্গে যুব রাজনীতিতে দেখা যায় তাকে। অভিষেক ব্যানার্জীর আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়ের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিলো। সে বিষয়ে অবশ্য খুব একটা জানা নেই এলাকাবাসীর। তবে সুমিতের সঙ্গে একাধিক ছবি রয়েছে তার। গত বছর পাড়ার ক্লাবে প্রথমবার দুর্গাপুজোর স্পনসর ছিলেন পলাশ। সম্প্রতি সুমিতের বিরুদ্ধে তোলাবাজি সহ নানান অপরাধমূলক কাজের অভিযোগ দায়ের হয়েছে শালবনী থানায়।
তার পর থেকেই পালিয়ে রয়েছেন সুমিত। তার খোঁজে শালবনী থানার পুলিশ অভিষেক ব্যানার্জীর বাড়িতেও তল্লাশি চালিয়েছে। শ্রীরামপুরে সুমিতের শ্বশুর বাড়িতে গিয়েও পুলিশ খালি হাতে ফিরতে হয়েছে পুলিশকে। আদালত থেকে আগাম জামিন চেয়েও পাননি সুমিত। সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিশ জারি হয়েছে, যাতে সে বিদেশে না পালাতে পারে। এরই মধ্যে সুমিত ঘনিষ্ঠকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।পলাশের পাড়ার প্রতিবেশীরা বলেছেন, ভালো ছেলে তবে কী কাজ সে করে সেই বিষয়ে কেউই কিছু জানে না। পলাশের বাবা প্রদীপ চক্রবর্তী জানান, ছেলে মূল্যবান পাথরের ব্যবসা করে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে পাঁচজন পুলিশ এসে তার ছেলেকে তুলে নিয়ে যায়। কোন থানার পুলিশ, না সিআইডি সে বিষয়ে অবশ্য তাদের কিছু জানানো হয়নি। হতবাক প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন রাতে একটি সাদা গাড়িতে পাঁচজন এসেছিল। পুলিশ লেখা ছিল গাড়িতে। তবে কোন থানা সে বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে কিছু জানাতে চায়নি।