• ঢাকা হত সিসিটিভি, শৌচাগারে লুকনো টাকা! রাম মন্দিরে ‘চুরি’র নীল নকশায় তাজ্জব তদন্তকারীরা
    প্রতিদিন | ২৭ জুন ২০২৬
  • রাম মন্দিরে মন্দিরের অনুদান চুরির অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে আটজনকে। দানবাক্স থেকে কোটি কোটি টাকা কী করে চুরি হল উঠছে সেই প্রশ্ন। দেশজুড়ে প্রবল বিতর্কের মধ্যেই প্রকাশ্যে এল বিশেষ তদন্তকারী দলের রিপোর্ট।

    জানা গিয়েছে, রীতিমতো সিসিটিভি কায়দা করে ঢেকে চুরি চক্র তাদের কাজ চালিয়ে যেত। শৌচগারে লুকনো হত টাকা। পরে ঠিক সময় করে সেই টাকা লুকিয়ে লুকিয়ে চত্বর দিয়ে বের করে নিয়ে যাওয়া হত। পরবর্তী সময়ে চুরি করা অর্থ বিভিন্ন ভাগে ভাগ করে ‘বখরা’ পাঠিয়ে দেওয়া হত বিভিন্ন জনের কাছে। এও দাবি, ২০২৪ সালে মন্দিরের উদ্বোধনের পর থেকেই শুরু হয়েছিল চুরি! কেবল এবছরই ২৭ এপ্রিল থেকে ৫ জুনের মধ্যে অন্তত ৭০ বার চুরির ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে।

    এও জানা গিয়েছে, অভিযুক্তদের মধ্যে দু’জন টিনু যাদব ও সুভাষ শ্রীবাস্তব জিজ্ঞাসাবাদের সময় বেশ কয়েকজন ব্যাঙ্ক কর্মকর্তার নামও করেছেন। অন্যান্য সন্দেহভাজনদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিভিন্ন সূত্রে ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে, বেশ কয়েকজন সরকারি কর্মীর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

    উল্লেখ্য, রাম মন্দিরে চুরির ঘটনার তদন্ত রিপোর্ট জমা দিয়েছে বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট। রিপোর্টে উঠে এসেছে, রামমন্দিরে নগদ প্রণামী জমা পড়েছে ৩,৫০০ কোটি টাকারও বেশি, সঙ্গে অগণিত সোনা-রুপোর গয়না৷ এই ধনরাশির একটা বড় অংশের কোনও হদিশ মিলছে না৷ টাকা এবং গয়নার পাশাপাশি মন্দিরের হেফাজত থেকে গায়েব দানে পাওয়া রুপোর তৈরি ভূষূণ্ডির কাকও৷ বিভিন্ন প্রতিবেদনে মন্দির থেকে ৭ থেকে ৭.৫ কোটি টাকা খোয়া যাওয়ার কথা বলা হলেও, এ বিষয়ে সরকারি তথ্য এখনও মেলেনি। এখনও পর্যন্ত প্রায় নগদ ৭০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। কর্মকর্তাদের ধারণা, উদ্ধার হওয়া টাকার পরিমাণ আরও বাড়বে।
  • Link to this news (প্রতিদিন)