অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায় ঘনিষ্ঠ যুবককে বাড়ি থেকে আটক করল পুলিশ! চুঁচুড়ার সাহাগঞ্জ কেওটা রাধারানী কলোনীর বাসিন্দা পলাশ চক্রবর্তীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে গিয়েছে তদন্তকারীদল। এমনটাই খবর। তবে কোথায় কেন নিয়ে যাওয়া হয়েছে পরিবার কিছু জানে না বলে জানিয়েছেন সদস্যরা। ঘটনায় অবাক স্থানীয়রা। তাঁদের দাবি ভালো ছেলে বলে পরিচিত পলাশকে কেন পুলিশ ধরল সে বিষয়ে তাঁরা সন্দিহান। তবে কোনও দোষ করে থাকলে শাস্তি হোক, না হলে ফিরে আসবে বলে আশাবাদী তাঁরা।
স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, পলাশ তৃণমূল কর্মী। কলেজে ছাত্র রাজনীতি করেছেন। শ্রীরামপুর কলেজের জিএস ছিলেন তিনি। পরবর্তী সময়ে শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যুব রাজনীতিতেও যুক্ত ছিলেন পলাশ। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়ের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল বলে জানা যাচ্ছে। তবে কেন পলাশকে নিয়ে যাওয়া হল তা জানেন না তাঁর বাবা-মা।
জানা গিয়েছে,বৃহস্পতিবার রাত এগারোটা নাগাদ পাঁচজন পুলিশ সাদা পোষাকে এসে ছাদ থেকে পলাশকে নিয়ে যায়। তাঁরা কোন থানার পুলিশ, নাকি সিআইডি সে বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি বলেই দাবি পরিবারের। পলাশের বাবা প্রদীপ চক্রবর্তী বলেন, “রাতে এসে আমাদের দরজা খুলতে বলা হয়। আমরা সকালে আসতে বলি। কিন্তু দরজা ভেঙে দেওয়ার কথা বলা হয়।খুলে দিই। ওরা ছেলেকে ছাদ থেকে নিয়ে যায়। কেন কোথায় নিয়ে গেল তা জানায়নি। একটা ফোন নম্বর দিয়ে গিয়েছে মাত্র।” এক প্রতিবেশী বলেন, “পলাশ ভালো ছেলেই বলেই জানি। কী করে তা জানি না। কিন্তু কোনও ঝামেলায় যুক্ত থাকতে দেখিনি। ওদের পরিবারও ভালো। তবে কোনও দোষ করে থাকলে শাস্তি দাবি। না করলে ছাড়া পাবে।”