• ‘দিদি’কে ফিরিয়ে ‘দাদা’তে আস্থা! ভবানীপুরে নতুন অফিস খুলে শুভেন্দু বললেন, ‘রোজ পরিষেবা পাবেন’
    প্রতিদিন | ২৭ জুন ২০২৬
  • কথা দিয়েছিলেন, ভোটে জিতলে ভবানীপুরবাসীকে পরিষেবা দিতে দলের নতুন পার্টি অফিস খুলবেন। জেতার মাস দেড়েকের মধ্যেই সেকথা অক্ষরে অক্ষরে পালন করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মদিবসের পবিত্র দিনে সেই কার্যালয়ের উদ্বোধন করলেন। এদিন সন্ধ্যায় দলের কর্মী, সমর্থকদের নিয়ে সূচনা ভাষণে শুভেন্দু বললেন, ‘‘এখানে রোজ আসবেন, সব পরিষেবা পাবেন।” এতদিন ভবানীপুরের ‘ঘরের মেয়ে’ হিসেবে একচেটিয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর তৃণমূল কংগ্রেস কাজ করত। তিনিই সেখানকার বিধায়ক ছিলেন। ছাব্বিশের ভোটে ভবানীপুরের রাজনীতি পুরো বদলে গিয়েছে। ‘ঘরের মেয়ে’কে ফিরিয়ে ‘দাদা’কে জয়ী করেছেন সেখানকার বাসিন্দারা। তাই তাঁদের সমস্ত পরিষেবা দিতে নতুন পার্টি অফিস খুললেন শুভেন্দু অধিকারী।

    গত কয়েকটি বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাড়া। তিনি এখানকার বেশ কয়েকবারের বিধায়ক। একুশের ভোটে নন্দীগ্রামে পরাজিত হওয়ার পর ভবানীপুর থেকে উপনির্বাচনে জিতেছিলেন মমতা। ছাব্বিশের ভোটেও ভবানীপুর থেকে লড়াই করেছিলেন। আর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সম্মুখ সমরে দাঁড়ান আজকের মুখ্যমন্ত্রী, তৎকালীন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। গত ৪ মে ভোটের ফলপ্রকাশের দিন কড়া টক্করের পর দেখা যায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ১৫ হাজারের বেশি ভোটে পরাজিত হয়েছেন। সেই থেকে ‘দিদি’র এলাকা ছেড়ে ভবানীপুরে শুরু হয় ‘দাদা’র রাজত্ব। এখন ভবানীপুরবাসীর দায়িত্ব শুভেন্দু অধিকারীর।

    ভবানীপুরে ভোটপ্রচারের সময় শুভেন্দু কথা দিয়েছিলেন, ভোটে জিতলে এখানকার প্রশাসনিক কাজকর্মের জন্য পার্টি অফিস গড়বেন। সেই কথা রেখেই শুক্রবার সেই দলীয় কার্যালয়টি উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মদিনে একাধিক অনুষ্ঠান যোগ দেওয়ার পর সন্ধ্যায় ভবানীপুরে যান তিনি। পার্টি অফিস উদ্বোধন করে জানান, ভবানীপুরের মানুষজনকে পরিষেবা দিতে দলের এই কার্যালয় সর্বদা খোলা থাকবে। এখান থেকে রোজ কোনও না কোনও পরিষেবা পাওয়া যাবে। তাঁর কথায়, ‘‘আপনারা রোজ এখানে আসবেন, রোজ পরিষেবা পাবেন।”
  • Link to this news (প্রতিদিন)