• NCERT-র পাঠ্যবইয়ে এ বার ‘সার’, নির্বাচন কমিশনের প্রশংসা করায় সমালোচনা বিরোধীদের
    এই সময় | ২৭ জুন ২০২৬
  • এনসিইআরটি–র নবম শ্রেণির সোশ্যাল সায়েন্সের পাঠ্য বইয়ে এ বার ‘সার’। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) বিষয়টি পাঠ্যপুস্তকে তুলে ধরে প্রশংসা করা হয়েছে নির্বাচন কমিশনের। এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে বিজেপি-ও। তবে সমালোচনায় মুখর হয়েছে একাধিক বিরোধী রাজনৈতিক দল।

    গত বছর পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, কেরালা-সহ বিভিন্ন রাজ্যে হয় ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন। বাদ দেওয়া হয় অনেক ভুয়ো নাম। সেই সঙ্গে অনেক যোগ্য ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। এই নিয়ে প্রবল সমালোচনাও হয়। তবে NCERT-র নবম শ্রেণির পাঠ্য পুস্তকে এর জন্য ভারতের নির্বাচন কমিশনের (ECI) ভূয়সী প্রশংসা করা হয়েছে।

    নবম শ্রেণির আগের পাঠ্যবইটিতে নির্বাচনী রাজনীতি বিষয়ক অধ্যায়ে কেবল মাত্র নিয়মিত ব্যবধানে ভোটার তালিকা সংশোধন করা হয় বলে উল্লেখ করা হয়েছিল।

    নবম শ্রেণির নতুন পাঠ্যপুস্তকে এই বিষয়টি উল্লেখ করায় প্রশংসা করেছে বিজেপি। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের (ECI) ভূয়সী প্রশংসাও করেছে তারা। বিজেপির মুখপাত্র আর পি সিং বলেন, ‘নবম শ্রেণির পাঠ্যপুস্তকে নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত একটি অধ্যায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যেখানে কমিশন এবং নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি সম্পর্কে তথ্য দেওয়া হয়েছে। এটি সত্যিই প্রশংসনীয়। নির্বাচন কমিশন যেভাবে নির্বাচন পরিচালনা করে এবং দেশের গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার প্রচেষ্টা চালায়, তা প্রশংসার দাবি রাখে। পড়ুয়াদের এ বিষয়ে সচেতন করা উচিত। যখন তাঁরা ১৮ বছরে পা দিয়ে ভোটদানের যোগ্য হয়ে উঠবেন, তখন তাদের বোঝা উচিত যে নির্বাচনী প্রক্রিয়া কীভাবে কাজ করে এবং নির্বাচন কমিশন কীভাবে তার দায়িত্ব পালন করে। ’

    তবে এই নিয়ে সমালোচনা করেছেন বিরোধীরা। তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম নিয়ে আমরা অনেক অভিযোগ জানিয়েছি। এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ায় অনেকেই ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।এনসিইআরটি-র বইয়ে এই বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা একেবারেই ভুল। আমরা এর নিন্দা করছি।’

    এর আগের দিনেই NCERT-র সিলেবাসে যুক্ত করা হয়েছে জরুরী অবস্থা জারির বিষয়টি। ১৯৭৫ সালে ইন্দিরা গান্ধী প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন জারি করা হয় জরুরি অবস্থা। দিন কয়েক আগেই এই প্রসঙ্গ তুলে কংগ্রেসকে বিঁধেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর পাঠ্যপুস্তকে ওই বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করায় এর প্রশংসা করেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। যদিও এই নিয়েও কটাক্ষ ও সমালোচনা করতে ছাড়েনি বিরোধীরা।

  • Link to this news (এই সময়)