আবেগের নাম শ্যামাপ্রসাদ! ভারত কেশরী ‘ঘনিষ্ঠ’ শতায়ু অফিসারকে শ্রদ্ধা বিজেপি নেতার
প্রতিদিন | ২৭ জুন ২০২৬
স্বাধীনতার পর ভারতের প্রথম ব্যাচের পুলিশ অফিসার। দেশের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকে সংসদে নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে দেখেছিলেন কাছ থেকে। দীর্ঘক্ষণ কথাও হয়েছিল তাঁদের। বোলপুরে শতায়ু সেই কৃষ্ণ দাসের সঙ্গে দেখা করলেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় রিসার্চ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায়। কৃষ্ণদাসবাবুর পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেন তিনি।
ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে তাঁকে সম্মান জ্ঞাপন করা হয়। অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায় জানান, “যেন তীর্থদর্শন হওয়ার সুযোগ হল। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে সামনে থেকে দেখেছেন। যাঁরা সরাসরি শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে মিশেছিলেন কাজ করেছেন এমন ৩ জনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পেরেছি। তার মধ্যে একজন রেঙ্গুনের দুর্গাবাড়িতে। দ্বিতীয় জনের সঙ্গে দেখা হয়েছিল শীলচরে। আর তৃতীয় জনের সঙ্গে দেখা হল এই বোলপুরে। আমি ধন্য হলাম।”
বোলপুরের সুঁড়িপাড়ার ধর্মরাজতলার বাসিন্দা কৃষ্ণদাস দাস। ১৯২১ সালে জন্ম। স্বাধীন ভারতের প্রথম ব্যাচের পুলিশ অফিসার। এ দিন তাঁকে উত্তরীয়, পুষ্পস্তবক-সহ একটি শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাঁধানো ছবি তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি শ্যামাপ্রসাদের উপর লেখা বেশ কিছু বই উপহার হিসেবে তুলে দেন অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায়। কৃষ্ণ দাস বলেন, “এমন সম্বর্ধনা পেয়ে আমি আপ্লুত ও গর্বিত।” কৃষ্ণবাবু আরও বলেন, “সুজলাং সুফলাং মলয়জশীতলাম্ শস্যশ্যামলাং মাতরম্”-এর বাংলা ভাগ চাননি শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। অনির্বাণ জানান, “উনি ইতিহাসের কথাগুলি বলছিলেন আমি শ্যামাপ্রসাদ গবেষক হিসাবে দেখলাম একেবারে অবিকল মিলে যাচ্ছে। আমার গায়ে কাঁটা দিচ্ছিল। বোলপুরের কৃষ্ণদাসবাবু এই মুহুর্তে একজন লিভিং লেজেন্ট।”