• চেতনের ইঙ্গিতেই কেতনকে ধাক্কা দিয়েছিল সিয়া, অনুমান পুলিশের
    বর্তমান | ২৭ জুন ২০২৬
  • পুনে: খুনের ঘটনায় যুবতীর প্রেমিক চেতনের ভূমিকাও রয়েছে তদন্তকারীদের স্ক্যানারে। ধনী পরিবারে প্রেমিকার বিয়ে ঠিক হওয়ার পর কী ব্ল্যাকমেল করত চেতন? তার ফোন ও ব্যক্তিগত মেসেজ কী রেকর্ড করে রাখত সে? উত্তর খুঁজছে তদন্তকারীরা। আর্থিকভাবে দুর্বল চেতনের বারবার লোহাগড় যাওয়ার খরচ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।  সিয়ার ব্যাংক অ্যাকাউন্টের লেনদেন খতিয়ে দেখার পাশাপাশি খুনের আগে এটিএম থেকে কত টাকা তোলা হয়েছিল? তাও রয়েছে তদন্তকারীদের স্ক্যানারে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, তদন্তে স্পষ্ট হয়েছে লোহাগড় দুর্গে কেতনকে ধাক্কা দেওয়ার সংকেত দিয়েছিল চেতনই।

    বিয়েতে রাজি ছিল না সিয়া। পরিবার সে কথা জানলেও মেনে নেয়নি। কিন্তু হবু স্বামী কেতনকে কী বিষয়টি জানিয়েছিল সিয়া? সূত্রের খবর, তদন্তকারীদের কাছে সিয়া দাবি করেছে, পরচুলা পরত কেতন। তাই তাঁকে পাত্র হিসেবে মানতে পারেনি। তবে সেটিই খুনের একমাত্র কারণ নয়। বিয়ে ভেঙে দিতেও চেয়েছিল সে। কেতনকে সেকথা জানিয়েওছিল সিয়া। উত্তরে কেতন নাকি বলেছিলেন, ‘অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। এখন আর এই বিয়ে ভাঙা সম্ভব নয়। আমাদের পরিবার ধনী ও প্রভাবশালী। পালিয়ে গেলেও এই বিয়ে এড়াতে পারবে না।’ যদিও তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, সিয়া ও চেতনের চ্যাট থেকে সিয়ার দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। 

     অন্যদিকে, এই হত্যাকাণ্ডের পর নিজের মাকে পাশে পাননি সিয়া। সংবাদমাধ্যমকে সিয়ার মা পুজা গোয়েল জানিয়েছে, ‘এই ঘটনায় দোষীদের চরমতম শাস্তি দেওয়া হোক। আমার মেয়ের অপরাধ প্রমাণিত হলে তাকে একই খাদে ফেলে দেওয়া হোক।’ সিয়ার বাবা প্রবীন গোয়েল বলেছেন, ‘কেতন আমাদের ছেলের মতো ছিল। তাঁর মৃত্যুতে আমাদের পরিবারকেও আঘাত করেছে। আমরা বিয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম।’ 
  • Link to this news (বর্তমান)