• এবার দিঘা আসা-যাওয়ার সময় হাফ হয়ে যাবে?
    আজকাল | ২৮ জুন ২০২৬
  • আজকাল ওয়েবডেস্ক: অবশেষে হচ্ছে। শুরু হওয়ার পথে নন্দকুমার-দীঘা জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের কাজ। মূলত জমিজটে এই সড়ক সম্প্রসারণের কাজ আটকে ছিল। আপাতত জটিলতা কেটেছে। ফলে, সম্প্ররসারণ কাজের প্রথম পর্যায়, চাউলখোলা থেকে দীঘা পর্যন্ত প্রায় সাড়ে পাঁচ মিটার চওড়া রাস্তা বেড়ে হবে সাড়ে ১০ মিটার। ইতিমধ্যেই এই কাজের ছাড়পত্র দিয়েছে কেন্দ্র।

    নন্দকুমার-দীঘা রাস্তা ১১৬-বি জাতীয় সড়ক নামে পরিচিত। জাতীয় সড়ক হলেও ৮৮ কিলোমিটার এই রাস্তার বেশিরভাগ অংশই মাত্র সাড়ে পাঁচ মিটার চওড়া। ফলে সরু রাস্তার কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। আস্তে চলে যানবাহনে। এতেই সমস্যায় পড়ে পথচারী থেকে গাড়ির চালক, যাত্রী সকলে। রাস্তা চওড়া হলে এই সমস্যা মিটতে পারে বলে আশা।

    নন্দকুমার থেকে দীঘাগামী প্রথম ২৫ কিলোমিটার রাস্তা সাড়ে ১০ মিটার চওড়া। কিন্ত, কারপরই চাউলখোলা পর্যন্ত ১৪ কিলোমিটার জাতীয় সড়ক মাত্র সাড়ে পাঁচ মিটার চওড়া। এই অংশই সাড়ে ১০ মিটার করা হবে। 

    রাস্তা সম্প্রসারণের কাজে প্রায় ১২ হেক্টর জমি অধিগ্রহণ প্রয়োজন। ১৯৫৬ সালের জাতীয় সড়ক অধিগ্রহণ আইনের আওতায় পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ দিয়ে সেই কাজ এগোচ্ছে। আগামী দেড় মাসের মধ্যে এই অংশের জমি অধিগ্রহণও শেষ হয়ে যাবে বলে আশা কর্তৃপক্ষের। তারপর শুরু হবে জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের জন্য দরপত্র ডাকা। 

    এই অংশের কাজের জন্য খরচ ধার্য হয়েছে প্রায় ৮৯০ কোটি টাকা। এর মধ্যে জমি অধিগ্রহণ বাবদ খরচ ৪৫০ থেকে ৫০০ কোটি। দু'পর্যায়ে নন্দকুমার থেকে দীঘা পর্যন্ত ৮৮ কিলোমিটার জাতীয় সড়ক সাড়ে ১০ মিটার চওড়া হবে। ফলে যাতায়াতে প্রচুর সুবিধা হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

    পাশাপাশি রামনগর-অলঙ্কারপুর বাইপাসের জন্য মোট ৪৩ হেক্টর জমি অধিগ্রহণের কাজ ১০০ শতাংশ সম্পূর্ণ হয়েছে। 

    সরকারি আধিকারিকদের দাবি, কলকাতা থেকে গাড়িতে দীঘা পৌঁছতে প্রায় চার - সাড়ে চার ঘণ্টা সময় লাগে। ১১৬-বি জাতীয় সড়ক চওড়া হলে আরও কম সময়ে আনায়াসে দীঘায় পৌঁছনো যাবে। এই পথেই যেহেতু মন্দারমণিও যেতে হয়, ফলে সেখানে পৌঁছতেও বেশ সুবিদা হবে। 

     
  • Link to this news (আজকাল)