খুন হওয়া দলীয় কর্মীর বাড়ি থেকে বেরিয়ে বাগনান থানায় শুভেন্দু!কাউকে রেয়াত নয়,নির্দেশ পুলিশকে
News18 বাংলা | ২৮ জুন ২০২৬
গত ১৭ জুন হাওড়ার আমতায় খুন হন বিজেপি কর্মী প্রশান্ত দে৷ অভিযোগ, স্থানীয় আন্টিলা পঞ্চায়েতের উপপ্রধান তৃণমূল নেতা মফিজুল রহমান ও তার দলবল প্রশান্ত দের উপরে চড়াও হয়ে তাঁকে মারধর করে। বেধরক মারধরের ফলেই মৃত্যু হয় প্রশান্ত দে-র।
এ দিন বিকেলে বাগনানে নিহত সেই দলীয় কর্মীর বাড়িতে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী৷ প্রশান্ত দে-কে খুনে যাঁরা জড়িত তাঁদের প্রত্যেকের শাস্তি হবে বলে পরিবারকে আশ্বস্ত করেন মুখ্যমন্ত্রী৷ প্রশান্ত দে-র পরিবারকে আর্থিক সাহায্যও করেন শুভেন্দু অধিকারী৷ নিহত বিজেপি-র কর্মীর পরিবারও দোষীদের ফাঁসির দাবি জানান মুখ্যমন্ত্রীর কাছে৷
তবে শুধু বিজেপি-র কর্মীর বাড়িতে গিয়েই ক্ষান্ত হননি মুখ্যমন্ত্রী৷ সেখান থেকে তিনি সোজা চলে যান বাগনান থানায়৷ নিহত বিজেপি কর্মী খুনের তদন্ত কী অবস্থায় রয়েছে, থানার আধিকারিক এবং জেলা পুলিশের কর্তাদের থেকে তা সবিস্তারে জেনে নেন মুখ্যমন্ত্রী৷ এর পরেই পুলিশকে তাঁর কড়া নির্দেশ, প্রশান্ত দে- খুনে অভিযুক্ত হিসেবে এফআইআর-এ নাম থাকা ৫১ জনকেই গ্রেফতার করতে হবে৷ কাউকে রেয়াত করা হবে না৷
বাগনান থানা থেকে বেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ১০ জন গ্রেফতার হয়েছে৷ অভিযুক্ত বাকি ৪১ জনকেও গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছি৷ পাতালে থাকলেও সেখান থেকে খুঁজে বের করে গ্রেফতার করতে হবে।
শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, জেলাশাসককে বলেছি আইন মেনে অভিযুক্তদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার বিষয়টি দেখতে। আগের রকারের আমলে কখনও দেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী থানায় এসে এই ধরনের ঘটনায় সরাসরি থানায় এসে খোঁজ নিচ্ছেন? আপনারা আমায় মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব দিয়েছেন৷ আমাকে এটা নিশ্চিত করতেই হবে৷ আগের সরকার রাজনৈতিক পরিচয় দেখে ব্যবস্থা নিত। আমাদের স্পষ্ট বক্তব্য, অপরাধ করলে কেউ ছাড় পাবে না।
নিহত প্রশান্ত দে-র পরিবারকে দু দফায় ৯ লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। মৃত বিজেপি কর্মীর বৃদ্ধ বাবা মাকে যাতে প্রবীণ নাগরিকদের জন্য সরকারি প্রকল্পের আওতায় এনে আর্থিক সাহায্য করা যায়, সে বিষয়েও জেলাশাসককে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেন শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে আশ্বস্ত নিহত বিজেপি কর্মী প্রশান্ত দে-র পরিবারও৷