ইংল্যান্ড: ২ (বেলিংহ্যাম, কেন)
পানামা: ০
——————————————
ক্রোয়েশিয়া: ২ (সুসিচ, ভ্লাসিচ)
ঘানা: ১ (লুকাসেন)
ফের রেকর্ড বুকে হ্যারি কেন। ইংল্যান্ডের জার্সিতে গোল করার প্রায় সব রেকর্ড আগেই ভেঙেছেন তিনি। এবার তাঁর মুক্তখচিত মুকুটে যুক্ত হল নয়া পালক। পানামার বিরুদ্ধে গোল করে থ্রি লায়ন্সের জার্সিতে বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোলের মালিক হয়ে গেলেন কেন। সেই সঙ্গে পানামাকে হারিয়ে গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন করেই নিজের দলকে তুললেন বিশ্বকাপের রাউন্ড অফ থার্টি টু-তে।
শনিবার মধ্যরাতে ইংল্যান্ড পানামাকে হারাল ২-০ গোলে। গ্রুপের অপর ম্যাচে ক্রোয়েশিয়া ২-১ গোলে হারাল ঘানাকে। চমকপ্রদভাবে ইংল্যান্ড, ঘানা এবং ক্রোয়েশিয়া এই তিনটি দলই পৌঁছে গেল বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে।
বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে রীতিমতো চোখ ধাঁধানো ফুটবল উপহর দেয় ইংল্যান্ড। কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচে ঘানার বিরুদ্ধে আটকে যান কেনরা। শনিবার রাতে পানামার বিরুদ্ধেও প্রথমার্ধটা ভালো যায়নি। সেভাবে আক্রমণ দানা বাঁধেনি। সুযোগ তৈরি হয়নি। কিন্তু প্রথম ৪৫ মিনিট নিষ্প্রভ ফুটবল খেলেও শেষ পর্যন্ত পানামাকে ২–০ গোলে হারিয়ে ‘এল’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হল ইংল্যান্ড।
বিরতির পর জুড বেলিংহ্যাম এবং হ্যারি কেন দলের ত্রাতা হয়ে ওঠেন। মাত্র পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে দুটি গোল পেয়ে যায় ইংল্যান্ড। প্রথমে ৬২ মিনিটে বেলিংহ্যাম এবং পরে ৬৭ মিনিটে কেন। বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের জার্সিতে এটি কেনের ১১তম গোল। বিশ্বকাপে থ্রি লায়ন্সের হয়ে এটাই সর্বাধিক। এর আগে গ্যারি লিনেকার ইংল্যান্ডের হয়ে ১০ গোল করেছিলেন। কেন গুটি গুটি পায়ে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়েও ঢুকে যাচ্ছেন। চলতি বিশ্বকাপে এটি তাঁর তৃতীয় গোল।
২-০ ব্যবধানে জয়ে ইংল্যান্ড গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে গেল। শেষ ৩২-এ কেনদের প্রতিপক্ষ হবে সেনেগাল অথবা ডিআর কঙ্গো। সেই বাধা পেরোতে পারলে শেষ ষোলোতে তাদের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ মেক্সিকো কিংবা ইকুয়েডর।
অন্যদিকে গ্রুপের অন্য ম্যাচে ক্রোয়েশিয়া হারিয়ে দিল ঘানাকে। ক্রোটদের হয়ে গোলদু’টি করেন সুসিচ এবং ভ্লাসিচ। ঘানার হয়ে গোলটি করেন লুকাসেন। তবে জয়ের পরও ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপে দ্বিতীয় হল লুকা মদ্রিচদের দল। দ্বিতীয় হওয়া ক্রোয়েশিয়ার শেষ ৩২-এর প্রতিপক্ষ হবে কলম্বিয়া অথবা পর্তুগাল। আর ঘানা খেলবে ওই দুই দলের মধ্যে যে দল গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হবে, তাদের বিপক্ষে।