• মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরেই সিআইডির জালে আরও ১, বাগনানে বিজেপি কর্মী খুন
    বর্তমান | ২৯ জুন ২০২৬
  • সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: বাগনানে বিজেপি কর্মী খুনের ঘটনায় জড়িত কাউকে রেয়াত করা হবে না। অভিযুক্তরা পাতালে লুকিয়ে থাকলেও সেখান থেকে বের করে এনে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হবে। বাগনানে নিহত বিজেপি কর্মী প্রশান্ত দের পরিবারের সঙ্গে শনিবার দেখা করার পর এই কথা বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রীর সেই নির্দেশের পরেই পুলিশ ও সিআইডি যৌথ অভিযান চালিয়ে হাওড়া ও পূর্ব মেদিনীপুরের সীমান্ত এলাকা শ্যামপুর থেকে সেখ সইফুদ্দিন নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতের বাড়ি বাগনান থানার সন্তোষপুরে। রবিবার উলুবেড়িয়া আদালতে তোলা হলে বিচারক তাঁকে সাতদিনের জন্য পুলিশ হেপাজতে পাঠান।

    এনিয়ে পুলিশ ধরপাকড় শুরু করতেই সইফুদ্দিন এলাকা ছেড়ে গা ঢাকা দেন। অবশেষে শনিবার রাতে তিনি ধরা পড়েন। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, সইফুদ্দিন আন্টিলা গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সেখ মফিজুল ইসলাম খানের হয়ে এলাকায় দাদাগিরি, তোলাবাজি, জোর করে জমি দখল সহ নানা বেআইনি কাজ করতেন। এদিকে, বিজেপি কর্মী খুনের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ ও সিআইডি।

    প্রসঙ্গত, ১৭ জুন রাতে নিমন্ত্রণ বাড়ি থেকে ফেরার সময় বাগনানের পাকপাড়ি গ্রামে মফিজুল ইসলাম খানের বাড়ির সামনে বিজেপি কর্মী প্রশান্ত দে সহ চার বিজেপি নেতা, কর্মীকে রড, বাঁশ, ধারালো অস্ত্র দিয়ে মারধর করা হয়। এরপর চারজনকে উলুবেড়িয়া শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় গভর্নমেন্ট মেডিকেল কলেজে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক প্রশান্ত দে-কে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আহত তিনজনকে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনায় নিহত বিজেপি কর্মীর স্ত্রী সোমা দে ৪২ জনের নামে বাগনান থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ তদন্তে নেমে ৯ জনকে গ্রেপ্তার করে। পরে তদন্তভার সিআইডি-এর হাতে গেলে আরও ৯ জনের নামে অভিযোগ দায়ের হয়। সিআইডি তদন্তে নেমে একজনকে গ্রেপ্তার করে। শনিবার আরও একজনকে 

    গ্রেপ্তার করল।
  • Link to this news (বর্তমান)