• সাইবার প্রতারণা: ১ কোটি ৭ লক্ষ উদ্ধার করে ফিরিয়ে দিল প্রশাসন, এয়ারপোর্ট থানা
    বর্তমান | ২৯ জুন ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: দিন দিন বাড়ছে সাইবার প্রতারণা। প্রবীণ থেকে তরুণ—রেহাই পাচ্ছেন না কেউই। প্রতারকদের পাতা ফাঁদে পা দিয়ে সর্বস্বান্ত হচ্ছেন বহু মানুষ। কখনও উচ্চ রিটার্নের টোপ দিয়ে বিনিয়োগ, কখনও ডিজিটাল অ্যারেস্ট, কখনও আবার ব্যাংকে কেওয়াইসি আপডেট করার নামে হ্যাকাররা ফাঁকা করছে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট। এরকম বিভিন্ন ধরনের সাইবার প্রতারণার ১ কোটি ৭ লক্ষ টাকা উদ্ধার করল এয়ারপোর্ট থানা। আইনি প্রক্রিয়ার শেষে উদ্ধার হওয়া সেই টাকা প্রায় ২০ জন প্রতারিতের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া হল। খোয়া যাওয়া টাকা ফিরে পেয়ে খুশি প্রতারিতরা ধন্যবাদ জানিয়েছেন এয়ারপোর্ট থানাকে।

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ডিজিটাল অ্যারেস্ট, কেওয়াইসি আপডেট প্রভৃতি প্রতারণার শিকার হচ্ছেন মূলত প্রবীণরা। তবে বিনিয়োগের টোপ দিয়ে প্রতারণায় প্রবীণ ও নবীন সকলেই প্রতারিত হচ্ছেন। অল্প সময়ের মধ্যে উচ্চ রিটার্নের টোপ গিলে ঠকছেন তাঁরা। হোয়াটসঅ্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রুপে তাঁদের যুক্ত করে বিনিয়োগ করানো হচ্ছে। সম্প্রতি, এয়ারপোর্ট থানায় এই ধরনের একাধিক সাইবার প্রতারণার অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। পুলিশ প্রতিটি ঘটনারই তদন্ত করে। তার মধ্যে ১৫-২০টি অভিযোগের ১ কোটি ৭ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা উদ্ধার হয়েছে। তারপর প্রতারিতদের হাতে সেই টাকা তুলে দেওয়া হয়।

    আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁদের হাতে টাকা ফেরানোর জন্য রবিবার এয়ারপোর্ট থানায় একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে বিধাননগরের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (এয়ারপোর্ট) ঐশ্বর্য সাগর, এসিপি ত্রিদিব বিশ্বাস, এয়ারপোর্ট থানার আইসি দীপ্তেশ চট্টোপাধ্যায়সহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। প্রতারিতদের থানায় ডাকা হয়েছিল। 

    অনুষ্ঠানে তাঁদের হাতে প্রতীকি চেক তুলে দেওয়া হয়। সাইবার প্রতারণা থেকে কীভাবে রেহাই মিলতে পারে, সে ব্যাপারে আলোকপাত করেন ডিসি এয়াপোর্ট। প্রসঙ্গত, চুরি বা হারিয়ে যাওয়া ২৬টি ফোনও উদ্ধার করেছিল এয়ারপোর্ট থানা। মালিকদের ডেকে সেই ফোনগুলিও ফেরানো হয়েছে।
  • Link to this news (বর্তমান)