• প্রয়াত বর্ষীয়ান সিনেমাটোগ্রাফার দিলীপ রায়, বাংলা-ওড়িয়া মিলিয়ে শতাধিক ছবিতে কাজ করেছেন
    এই সময় | ২৯ জুন ২০২৬
  • প্রয়াত বর্ষীয়ান চিত্রগ্রাহক দিলীপ রায়। শুক্রবার রাতে ভুবনেশ্বরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। বেশ কিছুদিন ধরেই তিনি অসুস্থ ছিলেন। পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে, গত কয়েক দিন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি।

    দিলীপ রায়ের প্রয়াণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে ওড়িয়া এবং বাংলা চলচ্চিত্র জগতে। তিনি শুধু একজন দক্ষ চিত্রগ্রাহকই ছিলেন না, আঞ্চলিক সিনেমার দৃশ্যভাষাকে নতুন কাঠামো দেওয়ার ক্ষেত্রেও তাঁর অবদান ছিল অনস্বীকার্য।

    ১৯৫৪ সালের ২৭ জুলাই ওড়িশার কটকে জন্মগ্রহণ করেন দিলীপ রায়। পরবর্তীকালে তিনি বেঙ্গালুরুর ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট (এফটিআই)-এ সিনেমাটোগ্রাফি নিয়ে পড়াশোনা করেন। সেখান থেকেই শুরু হয় তাঁর দীর্ঘ যাত্রা। প্রায় চার দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি কাজ করেছেন ওড়িয়া, বাংলা এবং ছত্তীসগঢ়ি ছবিতে। তাঁর কেরিয়ারে রয়েছে ৮০টিরও বেশি ওড়িয়া ফিচার ফিল্ম, প্রায় ১৫টি বাংলা ছবি, পাশাপাশি একাধিক তথ্যচিত্র এবং টেলিভিশন ধারাবাহিক।

    তাঁর উল্লেখযোগ্য ছবিগুলির মধ্যে রয়েছে ‘তিসান্ধ্যা’, ‘বাজে বৈঁশী নাচে ঘুঙুরা’, ‘চাকা ভাউঁরি’, ‘এই তা দুনিয়া’, ‘মমতা রা ডোরা’, ‘মাঝি পাহাচা’ এবং ‘বিধিরা বিধানা’। ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝি দিলীপ রায়ের প্রয়াণে গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, শিল্প ও সংস্কৃতির জগতে এই মৃত্যু এক অপূরণীয় ক্ষতি। ওড়িয়া চলচ্চিত্রকে সমৃদ্ধ করার ক্ষেত্রে দিলীপ রায়ের অবদান চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
  • Link to this news (এই সময়)