• রীতি মেনে মাহেশে জগন্নাথদেবের স্নানযাত্রা, উপচে পড়ল ভিড়
    এই সময় | ২৯ জুন ২০২৬
  • প্রথা ও নিয়ম মেনে পালিত হলো মাহেশের জগন্নাথদেবের স্নান যাত্রা। আর এখন থেকেই শুরু হলো রথযাত্রার দিন গোনা। ৬৩০ বর্ষে পড়লো মাহেশের রথ ও স্নানযাত্রা উৎসব। সোমবার সকালে পহুন্ডি যাত্রার পরে স্নান বেদীতে নিয়ে আসা হয় জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার বিগ্রহ। তারপর স্নানবেশ পরানো হয়। মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে অমৃতযোগে পুণ্য স্নান শুরু হয় সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে। স্নানযাত্রা উৎসব দেখতে অগণিত ভক্তের সমাবেশ দেখা গিয়েছে।

    রীতি অনুযায়ী স্নানমঞ্চে ২৮ ঘড়া গঙ্গাজল এবং দেড় মণ দুধ দিয়ে স্নান করানো হয় জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রাকে। ১০৮ টি কলসের বিশেষ দ্রব্য দিয়ে জগন্নাথদেবের মহা অভিষেক স্নান যাত্রা হয়েছে।

    প্রচলিত বিশ্বাস, ওই পরিমাণ দুধ-গঙ্গাজলে স্নান করে জগন্নাথদেবের জ্বর আসে। মন্দির বন্ধ রেখে সেবা-শুশ্রূষার পরে সুস্থ হন জগন্নাথদেব। তারপরে রথযাত্রার দিন রথে করে মাসির বাড়ি যান জগন্নাথদেব। দিনভর পুজো, হোম-যজ্ঞ, আরতি, ভোগ নিবেদনের পরে অনবসর হবে রাত সাড়ে ন’টায়।

    মাহেশ জগন্নাথ মন্দির ট্রাস্টি বোর্ডের অন্যতম সেবায়েত ও সম্পাদক পিয়াল অধিকারী বলেন, ‘অগণিত ভক্তের ঢল নেমেছে। জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রা বিখ্যাত। আমরা নীলকণ্ঠ পাখি দেখতে পাই স্নানযাত্রার ইতিহাসে। আজকের পরে বিভিন্ন বেশে সাজানো হবে প্রভুকে। এর পর অনবসর সেবা হয়। আগামিকাল থেকে মন্দিরের দরজা বন্ধ হয়ে যাবে। মন্দির খুলবে শুক্লা অমাবস্যা তিথিতে। ১৪ জুলাই নবযৌবন।’

    এ দিন দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের স্নানযাত্রা উৎসবেও ভক্তদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গিয়েছে।

  • Link to this news (এই সময়)