• ভোটাভুটির আগেই ভাগ হয়ে গেল ঋতব্রত তৃণমূল?
    আজকাল | ২৯ জুন ২০২৬
  • আজকাল ওয়েবডেস্ক:  বিধানসভায় ওবিসি সংক্রান্ত জোড়া সংশোধনী বিল পেশ হল সোমবার। পেশ করল সরকার পক্ষ। হল আলোচনাও। বিল পেশের পর, পাশ হওয়ার আগে, ভোটাভুটির ঠিক আগেই, বিধানসভা সাক্ষী থাকল এক অদ্ভুত পরিস্থিতির। সোমবার দু'টি বিলই পেশ করলেন অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ মন্ত্রী গৌরীশঙ্কর ঘোষ। পেশ করা হয়েছে, দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল ব্যাকওয়ার্ড ক্লাসেস (আদার দ্যান এসসি অ্যান্ড এসটি) (রিজার্ভেশন অফ ভেকেন্সিস ইন সার্ভিসেস অ্যান্ড পোস্ট্‌স অ্যামেন্ডমেন্ট বিল), ২০২৬’ এবং ‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল কমিশন ফর ব্যাকওয়ার্ড ক্লাসেস (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’। তৃণমূল আমলের ২০১২ সালের আইন সংশোধনের লক্ষ্যেই এই দু'টি বিল পেশ করা হয়েছে।

    বিল পেশ এবং আলোচনার পর, পাশ হওয়ার আগে, ভোটাভুটি হবে। ঠিক তার আগে, ঋতব্রত শিবিরের একাধিক বিধায়ক ওয়াক আউট করেন বিধানসভার কক্ষ থেকে। কিন্তু উল্লেখযোগ্য ঘটনা, টিম ঋতব্রতর একগুচ্ছ বিধায়ক, বাকিদের সঙ্গে সঙ্গে বেরিয়ে গেলেন না বিধানসভার কক্ষ থেকে। তালিকায় পান্নালাল হালদার, কাজল শেখ, বাইরন বিশ্বাস। তাঁরা নিজেদের আসনেই বসে ছিলেন। যদিও তাঁরা ভোটাভুটিতে অংশ নেননি বলেই খবর  সূত্রের। টিম ঋতব্রতর পাঁচজন বিধায়ক রয়ে গিয়েছিলেন বিধানসভার ভিতরেই। অর্থাৎ ভোটাভুটির ঠিক আগেই, ভাগ হয়ে যাওয়া ছবি, টিম ঋতব্রতর!

    অন্যদিকে, ভোটাভুটির আগে, কালীঘাট তৃণমূলের সদস্যরা, অর্থাৎ কুণাল ঘোষ, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়রা রয়ে গিয়েছেন বিধানসভার ভিতরেই। 

    এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, পেশ হওয়া দু'টি বিলে কী রয়েছে?

    * মূল লক্ষ্য ১৯৯৩ সালের আইনে সংশোধন এনে অনগ্রসর শ্রেণি কমিশনের কার্যকারিতা আরও স্পষ্ট ও শক্তিশালী করা। * বিলের প্রধান বিষয়গুলো হল- কমিশনের সদস্য-সচিব পদে যোগ্যতার পরিবর্তন, * বর্তমান আইনে সদস্য-সচিব হিসেবে ‘সেক্রেটারি’ পদমর্যাদার আধিকারিকের কথা বলা ছিল। সংশোধনীতে তা বদলে ‘জয়েন্ট সেক্রেটারি বা তার ঊর্ধ্বতন’ পদমর্যাদার আধিকারিককে নিয়োগ। * কমিশনের সদস্যদের মেয়াদ নির্ধারণ কমিশনের প্রত্যেক সদস্য দায়িত্ব গ্রহণের দিন থেকে তিন বছরের জন্য পদে থাকবেন। * রাজ্য সরকারের কর্মরত সদস্য-সচিবের ক্ষেত্রে মেয়াদ রাজ্যের নির্দেশ অনুযায়ী নির্ধারিত হবে।* আরও স্পষ্ট করা হয়েছে কমিশনের ক্ষমতা ও দায়িত্ব।* কোনও শ্রেণীকে অনগ্রসর শ্রেণীর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার আবেদন কমিশন পরীক্ষা করবে। * কমিশন প্রয়োজন মনে করলে সেই বিষয়ে রাজ্য সরকারকে পরামর্শ দেবে। * অনগ্রসর শ্রেণির তালিকায় অতিরিক্ত অন্তর্ভুক্তি  বা তা না হওয়া নিয়ে নাগরিকদের অভিযোগও শুনবে কমিশন। 
  • Link to this news (আজকাল)