• দার্জিলিং চিড়িয়াখানার ‘ফ্রোজ়েন জু’-তে জোর কদমে চলছে বিপন্ন প্রাণীদের DNA সংগ্রহের কাজ
    এই সময় | ৩০ জুন ২০২৬
  • সঞ্জয় চক্রবর্তী

    দার্জিলিংয়ের চিড়িয়াখানায় ‘ফ্রোজ়েন জু’-এ জোর কদমে চলছে কাজ। বিপন্ন প্রজাতির প্রাণীর DNA সংগ্রহ করে রাখা হচ্ছে এখানে। যাতে ভবিষ্যতে এই সমস্ত বিপন্ন প্রাণীকে প্রকৃতির কোলে ফিরিয়ে আনা যায়। ২০২৪ সাল থেকে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ২০২৫ সালে দার্জিলিং চিড়িয়াখানায় পাকাপাকি ভাবে ‘ফ্রোজ়েন জু’ চালু করা হয়। রেড পান্ডা, তিব্বতি নেকড়ে, তুষার চিতা, গোরালের (পাহাড়ি ছাগল) মতো নানা দুর্লভ প্রাণীর DNA, কোষ ইত্যাদি মাইনাস ১৯৬ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় সংগ্রহ করে রাখা হচ্ছে।

    হায়দরাবাদের সেন্টার ফর সেলুলার অ্যান্ড মলিকিউলার বায়োলজির অনুমোদনে এই কাজে নেমেছে দার্জিলিংয়ের হিমালয়ান পদ্মজা নাইডু চিড়িয়াখানা। দার্জিলিং চিড়িয়াখানার এক আধিকারিক বলেন, ‘দুর্লভ, বিপন্ন বলে চিহ্নিত এবং দুষ্কৃতীদের নজরে পড়া সমস্ত ধরনের প্রাণীর DNA এবং কোষের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। সেগুলিকে নিরাপদ পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করা হয়েছে। নিয়মিত ভাবে রক্ষণাবেক্ষণও করা হচ্ছে।’

    সময়ের সঙ্গে হারিয়ে যাওয়াই নয়, অনেক সময়ে কোনও পর্যটকের ‘হাতের খেলা’তেও উধাও হয়ে যায় বহু প্রাণী। ২০১০ সাল নাগাদ বিদেশি এক পর্যটক ধরা পড়েন। তাঁর এক সঙ্গীকেও ধরা হয়। তাঁদের কাছ থেকে বেশ কিছু দুর্লভ প্রজাতির গুবরে পোকা মিলেছিল। দু’জনকেই গ্রেপ্তার করা হয়। পরে অবশ্য তাঁরা ছাড়া পান।

    এ রকমই আরও একটি পর্যটক দলের কাছ থেকে মিলেছিল বহু গুবরে পোকা, প্রজাপতি। তবে এ সব ঘটনা হাতে গোনা।

    বিশ্বের নানা দেশে এখন দুর্লভ প্রজাতির প্রাণীদের DNA সংগ্রহ করা হয়। হিমালয়ের নিজস্ব জীবকূল হারিয়ে না-যায় সেই জন্যই এই ‘ফ্রোজ়েন জু’ দার্জিলিংয়েও।

  • Link to this news (এই সময়)