• শুভেন্দুর বিরুদ্ধে মামলায় বড় নির্দেশ হাইকোর্টের!
    আজকাল | ৩০ জুন ২০২৬
  • আজকাল ওয়েবডেস্ক: কোলাঘাটের অফিসে তল্লাশির মামলায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়াল কলকাতা হাইকোর্ট। সোমবার আদালতের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে কোনওরকম পদক্ষেপ করা যাবে না।

    এদিন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। মামলার সূত্রপাত ২০২৪ সালে। তৃণমূল সরকারের আমলে সেই সময় শুভেন্দু অধিকারী বিরোধী দলনেতা।

    লোকসভা নির্বাচনের আগে কোলাঘাটে শুভেন্দুর অফিসে তল্লাশি চালানো হয়। তৎকালীন বিরোধী দলনেতার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে পুলিশ। এফআইআর খারিজের আবেদন জানিয়ে সেই সময়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শুভেন্দু।

    সেই মামলাতেই এদিন রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়াল কলকাতা হাইকোর্ট। তবে এটাই প্রথম নয়। এর আগেও একাধিকবার শুভেন্দু অধিকারীর রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে আদালতের তরফে।

    আপাতত আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কোনওরকম পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারবে না পুলিশ। প্রসঙ্গত, একদিকে যেমন মুখ্যমন্ত্রীর রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়ল অন্যদিকে, সোমবার বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে পাশ হল একাধিক বিল।

    এদিন ওবিসি সংরক্ষণ নিয়ে দু’টি সংশোধনী বিল পাশ হল পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায়। ‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল ব্যাকওয়ার্ড ক্লাসেস (আদার দ্যান এসসি অ্যান্ড এসটি) রিজার্ভেশন অফ ভ্যাকেন্সিস ইন সার্ভিসেস অ্যান্ড পোস্টস অ্যামেন্ডমেন্ট বিল, ২০২৬’ ধ্বনি ভোটে পাশ হলেও ‘পশ্চিমবঙ্গ অনগ্রসর শ্রেণি কমিশন (সংশোধন) বিল, ২০২৬’-এর উপর ভোটাভুটি হয়।

    নয়া বিল অনুসারে, বর্তমানে ওবিসি ক্যাটেগরি ‘এ’-এর আওতায় থাকা ৬৫টি জনগোষ্ঠীর তালিকায় কোনও আদলবদল হয়নি। তবে তৃণমূল সরকারের আমলে ক্যাটেগরি ‘বি’-তে অন্তর্ভুক্ত ৭৮টি জনগোষ্ঠীর তালিকা সম্বলিত শিডিউল-২ সম্পূর্ণ বাদ।

    এছাড়া শিডিউল-৩-ও আইনের অংশ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ জননিরাপত্তা ও সমাজবিরোধী কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ বিল' পেশ করা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন হরগোবিন্দ দাসের স্ত্রী-ও।

    বিগত রাজ্য সরকারের তোষণ নীতির ফলেই ওই ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ করেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী। বিল পেশের আগে এ দিন শুভেন্দু বলেন, ‘হরগোবিন্দ দাসের পরিবারকে স্যালুট করুন। আগের সরকারের আমলে মুর্শিদাবাদকে বহু হিংসা হয়েছে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এই বিলের লক্ষ্য। জাতীয় সড়ক, রেল অবরোধ করা হয়। সরকারি সম্প্রত্তির ক্ষতি আটকাতে আগের সরকার কিছুই করেনি।’

    তিনি আরও বলেন, ‘গ্যালারিতে হরগোবিন্দের স্ত্রী আজ উপস্থিত। এই গুন্ডাদমন বিল কেন দরকার তার উদাহরণ এখানে বসে আছেন। ক্রিমিনালদের সামাজিকীকরণ করেছে তৃণমূল। ওই আমলে পুলিশকেও ফাইল মাথায় দিয়ে টেবিলের তলায় লুকিয়ে থাকতে হয়েছে। অপরাধ করত কয়েকজন। মূল্য দিতে হত গোটা সমাজকে। হুমায়ুন কবীরের মানুষদের বিরুদ্ধে এই আইন আনা হল। এই আইন কোনও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ নয়। বরং সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষার আইন।’
  • Link to this news (আজকাল)