• অভিষেকের বাড়িতে গভীর রাতে কেন তল্লাশি? পুলিশকে প্রশ্ন হাইকোর্টের
    আজ তক | ৩০ জুন ২০২৬
  • কালীঘাট তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতেগভীর রাতে কেন তল্লাশি অভিযান চালানো হয়েছিল, সেই প্রশ্ন তুলল কতকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যর বেঞ্চে মামলাটি ওঠে সোমবার। সেই দিনের অভিযানের সিসিটিভি ফুটেজ এবং তল্লাশির অডিও-ভিডিও রেকর্ড সংরক্ষণ করারও নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি।
      
    এই ঘটনার তদারকির জন্য আদালত পুলিশকে চার সপ্তাহের মধ্যে হলফনামা জমা দিতে বলেছে। অন্যদিকে, আবেদনকারী তৃণমূল কংগ্রেসকেও দুই সপ্তাহের মধ্যে পাল্টা হলফনামা দাখিল করতে হবে।

    গত ১৩ জুন ভোরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালায় পুলিশ। সূত্রের খবর, সাংসদের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়ের খোঁজে সেদিন ওই বাড়িতে গিয়েছিলেন তদন্তকারীরা। ওই মামলায় এফআইআর দায়ের হওয়ার পর থেকেই সুমিত রায়ের সন্ধান করছিল পুলিশ। তবে তৃণমূলের অভিযোগ, যে মামলার তদন্তে এই তল্লাশি চালানো হয়, তার সঙ্গে দলের সাংসদের কোনও সম্পর্ক ছিল না। তা সত্ত্বেও পুলিশ অপ্রয়োজনীয়ভাবে অতিরিক্ত পদক্ষেপ করেছে।

    তৃণমূলের পক্ষে আদালতে সওয়াল করেন রাজ্যের প্রাক্তন অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত। তিনি দাবি করেন, কোনও তল্লাশি পরোয়ানা ছাড়াই পুলিশ সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ১২১, কালীঘাট রোডের বাড়িতে পৌঁছয়। তাঁর অভিযোগ, রাত ৩টায় পুলিশ বাড়িতে আসে এবং ভোর ৫টার সময় তালা ভাঙার জন্য বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের দলকে ডাকা হয়। তাঁর দাবি, এটি ক্ষমতার অপব্যবহার।

    অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবীর দাবি, অভিযোগপত্রে সাংসদের নাম কোথাও নেই। তবুও শুধুমাত্র সন্দেহের ভিত্তিতে যে সুমিত রায় তাঁর বাড়িতে থাকতে পারেন, সেই কারণেই তল্লাশি চালানো হয়েছে। তবে আদালত জানিয়েছে, এই মামলায় আপাতত কোনও অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
  • Link to this news (আজ তক)